ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে নাগরিকদের মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানানোর কয়েকদিন পর তিনি এ পদক্ষেপ নিলেন
একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় নিয়োজিত স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের প্রোটোকল অনুযায়ী, অত্যাবশ্যকীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত রেখে মোদীর গাড়িবহরে গাড়ির সংখ্যা কমানো হয়েছে।
মোদী দেশে সর্বোচ্চ স্তরের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা পান এবং গাড়িবহর কমানোর আগে তার বহরে প্রায় এক ডজন যানবাহন থাকত বলে জানা যায়।
সূত্রটি আরও জানায়, এ সপ্তাহে নিজ রাজ্য গুজরাট এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসাম সফরের জন্য মোদী গাড়িবহর ছোট করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তার গাড়িবহরে যেখানে সম্ভব বৈদ্যুতিক যান অন্তর্ভুক্ত করতে বলেছেন, তবে নতুন কোনো যান না কেনার জন্যও বলেছেন।
বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক ও ভোক্তা দেশ ভারত, অপরিশোধিত তেল, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এবং রান্নার গ্যাসের সরবরাহের জন্য হরমুজ প্রণালির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। যা ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে বন্ধ রয়েছে। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি লড়াই থামিয়ে রাখার পর ওয়াশিংটন ও তেহরান যখন সংঘাত বন্ধের একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য সংগ্রাম করছে, তখন তেলের উচ্চমূল্য দেশটির চলতি হিসাবের ঘাটতি বাড়িয়ে দেওয়া, প্রবৃদ্ধিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং মুদ্রাস্ফীতিকে উসকে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।
ভারত এখন পর্যন্ত পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো থেকে বিরত থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে দাম বৃদ্ধি আসন্ন বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স