এর মধ্য দিয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের নতুন অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে।
২৩৪ সদস্যের বিধানসভায় ১০৮টি আসন পেয়ে টিভিকের ক্ষমতায় যাওয়ার পথ প্রায় নিশ্চিত মনে হচ্ছিল। তবে এরপর শুরু হয় জটিলতা।
এরপর বিভিন্ন দলের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা এবং গভর্নরের সঙ্গে আরও বৈঠক হয়। শেষ পর্যন্ত ডিএমকের জোটসঙ্গী সিপিআই ও সিপিআই(এম) বিজয়কে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নেয়। এতে আরও চার বিধায়ক যুক্ত হয়। বিজয় দুটি আসন থেকে নির্বাচিত হওয়ায় জোটের মোট সদস্যসংখ্যা দাঁড়ায় ১১৬। এর মধ্যে টিভিকে ১০৭, কংগ্রেস ৫ এবং বামদল ৪। অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ১১৮ থেকে তখনও দুই আসন কম ছিল।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই ডিএমকে ও এআইএডিএমকে একজোট হয়ে সরকার গঠনের চেষ্টা করছে, এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে। এতে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আরও বাড়ে এবং বিজয় সমর্থকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।
টিভিকে এরপর ডিএমকের আরেক মিত্র দল ভিসিকের নেতা থোল থিরুমাভালাভানের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা চালায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় কোনো অগ্রগতি হয়নি। অবশেষে শনিবার সন্ধ্যায় ভিসিকে তাদের দুই বিধায়কের নিঃশর্ত সমর্থন ঘোষণা করে। এতে জোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ঠিক ১১৮।
এর কিছুক্ষণ পর ডিএমকে জোটের আরেক শরিক ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগও বিজয়কে সমর্থনের ঘোষণা দেয়। এতে বিজয় নেতৃত্বাধীন জোটের বিধায়ক সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১২০, যা সরকার গঠনের জন্য তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক অবস্থান।
গভর্নরের সঙ্গে আরেক দফা বৈঠক
প্রয়োজনীয় সমর্থনের নিশ্চয়তা এবং সব সমর্থনপত্র হাতে পাওয়ার পর শনিবার সন্ধ্যায় বিজয় আবার গভর্নর আরলেকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি গভর্নরকে বোঝাতে সক্ষম হন যে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন তার রয়েছে।
টিভিকে দ্রুত শপথ অনুষ্ঠানের অনুরোধ জানায় এবং গভর্নর তাতে সম্মতি দেন। শপথ অনুষ্ঠানের সময় নির্ধারণ করা হয় রোববার সকাল ১০টা।
লোক ভবনের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ১০ মে সকাল ১০টায় চেন্নাইয়ের নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।’
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, আগামী বুধবারের মধ্যে বিজয়কে বিধানসভায় আস্থা ভোটে অংশ নিতে হবে।
সূত্র: এনডিটিভি