বৃহস্পতিবার (৭ মে) ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের শেষ কার্যদিবস, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়তে নারাজ তিনি।
তিনি দাবি করে বলেন, আমরা হারিনি, আমাদের ১০০টি আসন লুট করা হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে ভারতীয় সংবিধানের ১৭৪ নম্বর অনুচ্ছেদের ২(খ) ধারার অধীনে নিজের সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেন রাজ্যপাল আরএন রবি। মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা সরকারি বিবৃতিতে সেই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
এর ফলে আগামী দু’দিন রাজ্যের প্রশাসনিক দায়িত্ব কার্যত রাজ্যপালের হাতেই থাকছে। এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো ১৭তম পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার কার্যকাল। এবার নবনির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে গঠিত হবে ১৮তম বিধানসভা।
আগামী ৯ মে পশ্চিমবঙ্গের বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, পঁচিশে বৈশাখ তথা রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এ প্রথম রাজভবনের বাইরে ব্রিগেডে কোনো সরকারের শপথগ্রহণ হতে চলেছে। বিজেপির দাবি, বঙ্গবাসীকে সাক্ষী রেখেই শুরু হবে নতুন সরকারের পথচলা।
নতুন সরকারকে এরই মধ্যেই ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকার’ বলে প্রচার শুরু করেছে বিজেপি। অর্থাৎ, কেন্দ্র ও রাজ্য— দুই জায়গাতেই বিজেপি সরকার থাকবে।
শনিবারের (৯ মে) শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। পাশাপাশি বিজেপি-শাসিত ১৯টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন বলে সূত্রের খবর। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে এসপিজি, কলকাতা পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। গোটা ব্রিগেড ও গড়ের মাঠ এলাকা ঘিরে থাকবে কড়া নিরাপত্তা বলয়। আর এমন পরিস্থিতিতে নতুন রেকর্ড করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পদত্যাগ না করেও মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে বিদায়