তিনি বলেন, কৃষিজমিকে রক্ষা করেই শিল্পের প্রসার ঘটাতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, রংপুর বিভাগের বিদ্যমান বিসিক শিল্পনগরীগুলোর সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় জমি সংযুক্ত করা হবে।
সৈয়দপুরের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, রেলওয়েকে কেন্দ্র করে এ অঞ্চলে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও হালকা প্রকৌশল শিল্পের ব্যাপক সম্ভাবনা ও চাহিদা রয়েছে। তাই এসব শিল্পের বিকাশে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
প্লাস্টিক পণ্য বর্জন ও পাটজাত পণ্যের ব্যবহার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আইন করা এক কথা, আর সেই আইন বাস্তবায়ন করা আরেক কথা। ইচ্ছে করলেই একদিনে প্লাস্টিক পণ্য বা পলিথিন বন্ধ করা সম্ভব নয়। বর্তমানে দেশের পাট উৎপাদন ও সরবরাহ সেই পর্যায়ে পৌঁছেনি যে, হঠাৎ করে সব প্লাস্টিক পণ্যের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিতভাবে পাটের উৎপাদন ও সরবরাহ বৃদ্ধি করতে হবে। পাশাপাশি ধাপে ধাপে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়িয়ে পরিবেশবান্ধব শিল্প ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম, নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাহ ফাতেহা তাকমিলাসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।