শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিক্ষানুরাগী সৈয়দা রাহেলা বেগমের মৃত্যুবার্ষিকী কাল সাহসী সাংবাদিকতার স্পষ্ট কণ্ঠস্বর কালের কণ্ঠ নবীকে নিয়ে কটুক্তির শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চান হানজালা মাগুরায় বৈশাখী মেলায় ঝাপান খেলা ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এবং তেলের দাম আরও বাড়লে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। আইএমএফের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পিয়েরে-অলিভিয়ে গুরিনশাস সংস্থাটির সর্বশেষ ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে লিখেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর বৈশ্বিক অর্থনীতির চিত্র হঠাৎই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে উঠেছে। এই সংঘাত বৈশ্বিক পর্যায়ে অভূতপূর্ব জ্বালানি সংকট সৃষ্টি করতে পারে। সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে সম্ভাব্য দুইটি পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ করেছে আইএমএফ। এর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি—যেখানে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম জানুয়ারির তুলনায় ১০০ থেকে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে এবং ২০২৭ সাল পর্যন্ত ওই অবস্থায় থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে এ বছর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মাত্র ২ শতাংশের নিচে নেমে আসতে পারে। আইএমএফ বলেছে, এটি বৈশ্বিক মন্দার কাছাকাছি পরিস্থিতি তৈরি করবে। ১৯৮০ সালের পর থেকে বিশ্ব এমন পরিস্থিতি মাত্র চারবার দেখেছে। যুদ্ধটি তুলনামূলকভাবে স্বল্পমেয়াদি হলে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ। একই সঙ্গে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি এ বছর বেড়ে ৪ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর আগে বৈশ্বিক অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়ে ভালো পারফর্ম করছিল এবং যুদ্ধ না হলে চলতি বছরে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়তে পারত। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা (Global Recession) পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে যায়, শিল্প-বাণিজ্য কমে যায়, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পায় এবং বেকারত্বের হার বেড়ে যায়। সূত্র: গার্ডিয়ান, সিএনএন ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বিশ্বমন্দার সতর্কতা আইএমএফের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করছি, কৃষকের পাশেই সরকার: প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা যে জুলাই সনদে বিএনপি স্বাক্ষর করেছে তার প্রতিটি শব্দ বাস্তবায় আমরা দেশকে আরও সুন্দরভাবে বিশ্বে তুলে ধরতে চাই: পর্যটনমন্ত্রী

নবীকে নিয়ে কটুক্তির শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চান হানজালা

নবী মোহাম্মদকে (সা.) নিয়ে কটুক্তি বা গালাগালকারীদের মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে সংসদে আইন পাস করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আবু সায়েদ মোহাম্মদ হানজালা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৪তম দিন বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় তিনি এ দাবি করেন।

আবু সায়েদ মোহাম্মদ হানজালা বলেন, বাংলাদেশে কিছু মানুষ আছে তারা আমাদের শেষ নবীকে অস্বীকার করে। তারা আবার মুসলমান হিসেবে পরিচয় দেয়।

প্রধানমন্ত্রীকে বলব আপনি বাংলাদেশে ইতিহাস রচনা করে যাবেন। আপনার মাধ্যমে যদি এটা স্বীকৃতি পায় যে যারা নবীকে অস্বীকার করে তারা কোনদিন মুসলমান থাকতে পারে না।
আইনের মাধ্যমে এটা বাংলাদেশের পার্লামেন্ট থেকে ঘোষণা করতে হবে। 

তিনি বলেন, আমরা আমাদের নবীকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি।

আমরা বারবার দেখছি কিছুদিন পর পর তারা যেন কিভাবে এসে নবীর বিরুদ্ধে কটুক্তি করে। নবীকে নিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। বাংলাদেশে অবশ্যই মুসলমানদের সংখ্যা অনেক বেশি। আমরা তো অন্য কিছু চাচ্ছি না। এই দেশের মানুষ নামাজ না পড়লেও যদি কেউ নবীকে কটুক্তি করে তার কলিজা ছিড়ে যায়। সে রাজপথে নেমে যায়। আমি বলব যারা নবীকে কটুক্তি করে নবীকে গালিগালাজ করে এদের মৃত্যুদণ্ড যেন হয়। এই আইনটাও যেন বাংলাদেশের এই সংসদ থেকে পাস করা হয়। 

শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার চেয়ে হানজালা বলেন, এলাকায় বলেছিলাম যে আমরা ন্যায়ের পক্ষে কথা বলব, ইনসাফের পক্ষে কথা বলব। তখন অনেকে হাত ধরে বলেছিল, হানজালা ভাই, জাতীয় সংসদে যখন যাবেন একটু বইলেন, হাদি হত্যার বিচারটা যেন হয়।



Our Like Page

ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এবং তেলের দাম আরও বাড়লে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। আইএমএফের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পিয়েরে-অলিভিয়ে গুরিনশাস সংস্থাটির সর্বশেষ ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে লিখেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর বৈশ্বিক অর্থনীতির চিত্র হঠাৎই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে উঠেছে। এই সংঘাত বৈশ্বিক পর্যায়ে অভূতপূর্ব জ্বালানি সংকট সৃষ্টি করতে পারে। সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে সম্ভাব্য দুইটি পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ করেছে আইএমএফ। এর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি—যেখানে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম জানুয়ারির তুলনায় ১০০ থেকে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে এবং ২০২৭ সাল পর্যন্ত ওই অবস্থায় থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে এ বছর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মাত্র ২ শতাংশের নিচে নেমে আসতে পারে। আইএমএফ বলেছে, এটি বৈশ্বিক মন্দার কাছাকাছি পরিস্থিতি তৈরি করবে। ১৯৮০ সালের পর থেকে বিশ্ব এমন পরিস্থিতি মাত্র চারবার দেখেছে। যুদ্ধটি তুলনামূলকভাবে স্বল্পমেয়াদি হলে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ। একই সঙ্গে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি এ বছর বেড়ে ৪ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর আগে বৈশ্বিক অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়ে ভালো পারফর্ম করছিল এবং যুদ্ধ না হলে চলতি বছরে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়তে পারত। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা (Global Recession) পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে যায়, শিল্প-বাণিজ্য কমে যায়, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পায় এবং বেকারত্বের হার বেড়ে যায়। সূত্র: গার্ডিয়ান, সিএনএন