বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মাগুরায় বৈশাখী মেলায় ঝাপান খেলা ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এবং তেলের দাম আরও বাড়লে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। আইএমএফের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পিয়েরে-অলিভিয়ে গুরিনশাস সংস্থাটির সর্বশেষ ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে লিখেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর বৈশ্বিক অর্থনীতির চিত্র হঠাৎই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে উঠেছে। এই সংঘাত বৈশ্বিক পর্যায়ে অভূতপূর্ব জ্বালানি সংকট সৃষ্টি করতে পারে। সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে সম্ভাব্য দুইটি পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ করেছে আইএমএফ। এর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি—যেখানে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম জানুয়ারির তুলনায় ১০০ থেকে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে এবং ২০২৭ সাল পর্যন্ত ওই অবস্থায় থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে এ বছর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মাত্র ২ শতাংশের নিচে নেমে আসতে পারে। আইএমএফ বলেছে, এটি বৈশ্বিক মন্দার কাছাকাছি পরিস্থিতি তৈরি করবে। ১৯৮০ সালের পর থেকে বিশ্ব এমন পরিস্থিতি মাত্র চারবার দেখেছে। যুদ্ধটি তুলনামূলকভাবে স্বল্পমেয়াদি হলে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ। একই সঙ্গে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি এ বছর বেড়ে ৪ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর আগে বৈশ্বিক অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়ে ভালো পারফর্ম করছিল এবং যুদ্ধ না হলে চলতি বছরে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়তে পারত। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা (Global Recession) পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে যায়, শিল্প-বাণিজ্য কমে যায়, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পায় এবং বেকারত্বের হার বেড়ে যায়। সূত্র: গার্ডিয়ান, সিএনএন ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বিশ্বমন্দার সতর্কতা আইএমএফের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করছি, কৃষকের পাশেই সরকার: প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা যে জুলাই সনদে বিএনপি স্বাক্ষর করেছে তার প্রতিটি শব্দ বাস্তবায় আমরা দেশকে আরও সুন্দরভাবে বিশ্বে তুলে ধরতে চাই: পর্যটনমন্ত্রী আমরা দেশকে আরও সুন্দরভাবে বিশ্বে তুলে ধরতে চাই: পর্যটনমন্ত্রী ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তৈরি করুন মজার সব ভর্তা

মাগুরায় বৈশাখী মেলায় ঝাপান খেলা

 বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে সাপুড়েদের দেখানো সাপের খেলা মাগুরায় পহেলা বৈশাখের উৎসবে বাড়তি আনন্দ এনে দেয়।

সাপুড়েরা ছোট ছোট মাটির হাড়ি থেকে একে একে বের করেন বিভিন্ন আকার ও জাতের সাপ।

কোনটা বড়, আবার কোনটা ছোট। 

পরবর্তীতে সাপুড়েরা এই বিষধর সাপগুলোকে বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে নাচিয়ে উপস্থিত দর্শনার্থীদের বুদ করে রাখেন।

স্থানীয় ভাষায় এই খেলার নাম ঝাপান খেলা। 

মাগুরা শহরের নোমানী ময়দানে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে পহেলা বৈশাখ অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঝাপান খেলা।

 

এবার ঝাপান খেলায় প্রায় ২০টি বিষধর সাপ নিয়ে খেলা দেখানো হয়েছে।  এরমধ্যে একটি বড় অজগরও ছিল।

 

শহর আলী এবং গহর আলী নামে আপন দুই ভাই এই খেলা দেখান। তাদের সহযোগী হিসেবে ছিলেন আরো কয়েকজন। গান ও বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে সাপুরেরা খেলা দেখিয়ে দর্শকদের আনন্দ দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান এবং জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।

অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এই খেলাটি আস্তে আস্তে বিলুপ্তির পথে।

তবু বিভিন্ন উপলক্ষকে কেন্দ্র করে এখনো মাগুরাসহ বিভিন্ন জেলায় এই খেলা দেখা যায়।



Our Like Page

ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এবং তেলের দাম আরও বাড়লে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। আইএমএফের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পিয়েরে-অলিভিয়ে গুরিনশাস সংস্থাটির সর্বশেষ ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে লিখেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর বৈশ্বিক অর্থনীতির চিত্র হঠাৎই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে উঠেছে। এই সংঘাত বৈশ্বিক পর্যায়ে অভূতপূর্ব জ্বালানি সংকট সৃষ্টি করতে পারে। সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে সম্ভাব্য দুইটি পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ করেছে আইএমএফ। এর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি—যেখানে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম জানুয়ারির তুলনায় ১০০ থেকে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে এবং ২০২৭ সাল পর্যন্ত ওই অবস্থায় থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে এ বছর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মাত্র ২ শতাংশের নিচে নেমে আসতে পারে। আইএমএফ বলেছে, এটি বৈশ্বিক মন্দার কাছাকাছি পরিস্থিতি তৈরি করবে। ১৯৮০ সালের পর থেকে বিশ্ব এমন পরিস্থিতি মাত্র চারবার দেখেছে। যুদ্ধটি তুলনামূলকভাবে স্বল্পমেয়াদি হলে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ। একই সঙ্গে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি এ বছর বেড়ে ৪ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর আগে বৈশ্বিক অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়ে ভালো পারফর্ম করছিল এবং যুদ্ধ না হলে চলতি বছরে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়তে পারত। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা (Global Recession) পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে যায়, শিল্প-বাণিজ্য কমে যায়, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পায় এবং বেকারত্বের হার বেড়ে যায়। সূত্র: গার্ডিয়ান, সিএনএন