বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মাগুরায় বৈশাখী মেলায় ঝাপান খেলা ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এবং তেলের দাম আরও বাড়লে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। আইএমএফের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পিয়েরে-অলিভিয়ে গুরিনশাস সংস্থাটির সর্বশেষ ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে লিখেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর বৈশ্বিক অর্থনীতির চিত্র হঠাৎই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে উঠেছে। এই সংঘাত বৈশ্বিক পর্যায়ে অভূতপূর্ব জ্বালানি সংকট সৃষ্টি করতে পারে। সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে সম্ভাব্য দুইটি পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ করেছে আইএমএফ। এর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি—যেখানে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম জানুয়ারির তুলনায় ১০০ থেকে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে এবং ২০২৭ সাল পর্যন্ত ওই অবস্থায় থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে এ বছর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মাত্র ২ শতাংশের নিচে নেমে আসতে পারে। আইএমএফ বলেছে, এটি বৈশ্বিক মন্দার কাছাকাছি পরিস্থিতি তৈরি করবে। ১৯৮০ সালের পর থেকে বিশ্ব এমন পরিস্থিতি মাত্র চারবার দেখেছে। যুদ্ধটি তুলনামূলকভাবে স্বল্পমেয়াদি হলে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ। একই সঙ্গে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি এ বছর বেড়ে ৪ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর আগে বৈশ্বিক অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়ে ভালো পারফর্ম করছিল এবং যুদ্ধ না হলে চলতি বছরে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়তে পারত। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা (Global Recession) পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে যায়, শিল্প-বাণিজ্য কমে যায়, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পায় এবং বেকারত্বের হার বেড়ে যায়। সূত্র: গার্ডিয়ান, সিএনএন ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বিশ্বমন্দার সতর্কতা আইএমএফের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করছি, কৃষকের পাশেই সরকার: প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা যে জুলাই সনদে বিএনপি স্বাক্ষর করেছে তার প্রতিটি শব্দ বাস্তবায় আমরা দেশকে আরও সুন্দরভাবে বিশ্বে তুলে ধরতে চাই: পর্যটনমন্ত্রী আমরা দেশকে আরও সুন্দরভাবে বিশ্বে তুলে ধরতে চাই: পর্যটনমন্ত্রী ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তৈরি করুন মজার সব ভর্তা

ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে টাঙ্গাইলের সন্তোষে অবস্থিত ঐতিহাসিক এই সমাধি প্রাঙ্গণে গিয়ে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

বিকাল ৪টা ৫৫ মিনিটে মাজার প্রাঙ্গণে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে ভাসানীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে শ্রদ্ধা জানান।

এরপর তিনি মওলানা ভাসানীর রুহের মাগফিরাত কামনায় সুরা ফাতেহা পাঠ করেন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রিসভার সদস্য, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।



Our Like Page

ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এবং তেলের দাম আরও বাড়লে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। আইএমএফের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পিয়েরে-অলিভিয়ে গুরিনশাস সংস্থাটির সর্বশেষ ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে লিখেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর বৈশ্বিক অর্থনীতির চিত্র হঠাৎই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে উঠেছে। এই সংঘাত বৈশ্বিক পর্যায়ে অভূতপূর্ব জ্বালানি সংকট সৃষ্টি করতে পারে। সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে সম্ভাব্য দুইটি পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ করেছে আইএমএফ। এর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি—যেখানে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম জানুয়ারির তুলনায় ১০০ থেকে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে এবং ২০২৭ সাল পর্যন্ত ওই অবস্থায় থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে এ বছর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মাত্র ২ শতাংশের নিচে নেমে আসতে পারে। আইএমএফ বলেছে, এটি বৈশ্বিক মন্দার কাছাকাছি পরিস্থিতি তৈরি করবে। ১৯৮০ সালের পর থেকে বিশ্ব এমন পরিস্থিতি মাত্র চারবার দেখেছে। যুদ্ধটি তুলনামূলকভাবে স্বল্পমেয়াদি হলে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ। একই সঙ্গে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি এ বছর বেড়ে ৪ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর আগে বৈশ্বিক অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়ে ভালো পারফর্ম করছিল এবং যুদ্ধ না হলে চলতি বছরে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়তে পারত। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা (Global Recession) পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে যায়, শিল্প-বাণিজ্য কমে যায়, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পায় এবং বেকারত্বের হার বেড়ে যায়। সূত্র: গার্ডিয়ান, সিএনএন