হোয়াইট হাউস সূত্রের খবর অনুযায়ী, ট্রাম্পের এ সফরের প্রধান লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধে চীনকে সরাসরি যুক্ত করা এবং ইরানের ওপর বেইজিংয়ের প্রভাব খাটিয়ে একটি স্থায়ী শান্তিতে পৌঁছানো। ট্রাম্প মনে করেন, চীন যদি ইরান থেকে জ্বালানি তেল কেনা ও অন্যান্য বাণিজ্যিক সহযোগিতা কমিয়ে দেয়, তবে তেহরান মার্কিন শান্তি প্রস্তাব মানতে বাধ্য হবে।
আলোচনার তালিকায় ইরানের পাশাপাশি রাশিয়া ও ইউক্রেন সংকটও বিশেষ গুরুত্ব পাবে। বিশেষ করে রাশিয়া ও ইরানের কাছে চীনের দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য পণ্য ও সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির বিষয়টি শি জিনপিংয়ের কাছে কঠোরভাবে উত্থাপন করবেন ট্রাম্প।
মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক ‘টেম্পল অব হেভেন’ পরিদর্শনের পাশাপাশি বিশেষ চা-চক্র ও রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় অংশ নেবেন। যা দুই দেশের সম্পর্কের বরফ গলাতে প্রতীকী ভূমিকা পালন করতে পারে। মূলত গত মার্চ মাসে এই সফর হওয়ার কথা থাকলেও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পরিস্থিতির কারণে তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল।