প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বেলা ৫টার বটতলী থেকে ক্যাম্পাসগামী শাটলে উঠেছিলেন ওই শিক্ষার্থী।
ইশরাতের সঙ্গে থাকা তার সহপাঠী মুনমুন জানান, ‘ক্যান্টনমেন্ট পার হবার পর পরিত্যক্ত কিছু মাঠ আছে যেখানে সবসময় ছেলেপেলে খেলাধুলা করে ওখানে ট্রেন আসতেই বাহির থেকে পাথর নিক্ষেপ করে কিছু পোলাপান। পাথরের আঘাতে ওর (ইসরাত ফাতেমা) মাথায় লেগে কেটে যায় এবং ফতেহাবাদ আসার পর ও অজ্ঞান হয়ে পড়ে। শাটল থেকে নেমে ওকে নিয়ে আমরা চবি মেডিকেলে আসি।’
চবি মেডিকেলের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, ‘তাকে আহত অবস্থায় এখানে নিয়ে আসা হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও ব্যথায় সে কান্না করছিল। ক্ষতস্থানে সেলাই দেওয়া হয়েছে এবং তাকে ২৪ ঘণ্টা হোম অবজারভেশনে থাকার জন্য বলা হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী ও সহকারী প্রক্টর সাঈদ বিন কামালের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া মেলেনি।