সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন

পাকিস্তান হাইকমিশনে ‘মারকা-ই-হক’র প্রথম বার্ষিকী উদযাপন

ঢাকার পাকিস্তান হাইকমিশন রোববার (১০ মে) ‘মারকা-ই-হক’ (সত্যের যুদ্ধ) এর প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে এক গম্ভীর ও স্মরণসভামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক এবং শিক্ষার্থীসহ বাংলাদেশে অবস্থানরত পাকিস্তানি কমিউনিটির সদস্যরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সেনাপ্রধান এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানের বাণী পাঠ করা হয়। বাণীতে ‘মারকা-ই-হক’-এ পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী ও জনগণের সাহস, আত্মত্যাগ এবং অটল মনোবলের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।

পাকিস্তানের নেতৃত্ব তাদের বার্তায় উল্লেখ করেন, দেশটির সশস্ত্র বাহিনী ভবিষ্যতের যেকোনো চ্যালেঞ্জ ও হুমকি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত ও সক্ষম। একইসঙ্গে কাশ্মীরি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের প্রতি পাকিস্তানের নীতিগত সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

 

বাণীতে বলা হয়, জম্মু ও কাশ্মীর সমস্যার ন্যায়সঙ্গত সমাধান ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

বক্তারা বলেন, পাকিস্তান শুধু আত্মরক্ষায় সক্ষম নয়, বরং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার গ্যারান্টর হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেছে।

 

অনুষ্ঠানে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে পাকিস্তানের অটল অবস্থানের কথাও তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার  ইমরান হায়দার পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী ও জনগণের প্রশংসা করে বলেন, ভারতীয় আগ্রাসনের মুখে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে।

এছাড়া পাকিস্তানি শিক্ষার্থী ও কমিউনিটির অন্যান্য সদস্যরাও বেসামরিক ও সামরিক নেতৃত্ব, সশস্ত্র বাহিনী এবং পুরো জাতির ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠান উপলক্ষে পাকিস্তান হাইকমিশনে ‘মারকা-ই-হক’-এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত নিয়ে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতা তুলে ধরে একটি প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়।

শেষে পাকিস্তানের শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।



Our Like Page