বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, অভিযুক্ত এক মাদ্রাসা সুপারিনটেনডেন্টের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পরপরই ভুক্তভোগী পরিবারের ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে।
এমজেএফের মতে, একটি সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর এমন হামলা এবং মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ বিচারপ্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।
সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম বলেন, এ ঘটনা প্রমাণ করে যে ন্যায়বিচার চাইতে গেলে অনেক সময় ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারকেই নিপীড়নের শিকার হতে হয়।
এমজেএফ আরও উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, যথাযথ তদন্তের পরিবর্তে আইনি পদক্ষেপে বিলম্ব এবং স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা বিচারব্যবস্থাকে দুর্বল করে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের আরও ঝুঁকির মুখে ফেলে।
সংগঠনটি কর্তৃপক্ষের প্রতি কয়েকটি দাবি জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত পরিচালনা এবং মামলা মীমাংসার জন্য অনানুষ্ঠানিক চাপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ।
এমজেএফ বলেছে, শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা জাতীয় অগ্রাধিকারের বিষয় হওয়া উচিত এবং এ ধরনের ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।