ট্রাম্প বলেন, ‘তারা খুবই চায় একটি চুক্তি করতে, খুবই মরিয়া।’
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না’, যা এখনো দুই পক্ষের মধ্যে প্রধান অচলাবস্থার বিষয়।
তবে শেষ পর্যন্ত ইরান রাজি হবে বলেও তিনি ‘নিশ্চিত’ বলে মন্তব্য করেন।
ইরানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক নৌ অবরোধ নিয়েও কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করে না, কারণ তাদের নিজস্ব তেল ও গ্যাস রয়েছে। বরং অন্যান্য দেশ এখন যুক্তরাষ্ট্রে এসে তেল নিতে আগ্রহী।
ট্রাম্প আরও জানান, ইরানের নেতারা চুক্তির জন্য আগ্রহী এবং ‘উপযুক্ত ব্যক্তিরা’ সেদিন সকালে তাকে ফোন করে সমঝোতার চেষ্টা করেছেন।
এর আগে পোপের সমালোচনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, পোপ লিও চতুর্দশ-এর কাছে তিনি কোনো ক্ষমা চাইবেন না।
ট্রাম্প বলেন, পোপ ‘অপরাধসহ নানা বিষয়ে খুব দুর্বল। আমার ক্ষমা চাওয়ার কিছু নেই, তিনি ভুল।’
সংঘাত সমাধানের সময়সীমা পরিবর্তন হয়নি বলেও জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘এখন কোনো লড়াই নেই। এখন আমরা অবরোধে আছি, তারা কোনো ব্যবসা করছে না।’
হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতির সময় কিছু জাহাজ চলাচল করতে দেখে তিনি সন্তুষ্ট ছিলেন না।
বর্তমানে ইরান ওই প্রণালীতে কোনো ব্যবসা করছে না দাবি করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এটাকে এমনভাবেই রাখব, খুব সহজেই।’