রিয়াদে আরব রাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তবে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার সময় ও ধরন প্রকাশ করা ‘বুদ্ধিমানের কাজ হবে না’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একইসঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমাদের ধৈর্যের সীমা আছে, কিন্তু তা অসীম নয়।
এর আগে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলার খবর পাওয়া যায়। এর মধ্যে কাতার-এর রাস লাফান গ্যাস স্থাপনা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত-এর হাবশান গ্যাস ফ্যাসিলিটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য সামনে আসে। কাতার সরকার এসব হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
অন্যদিকে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) আগেই সতর্ক করেছিল যে, উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলো তাদের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, চলমান এই সংঘাত শেষ হলেও ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে দীর্ঘ সময় লাগবে। কারণ, দুই দেশের মধ্যে আস্থার ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, হামলা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠন প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠতে পারে।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা