ওই ট্রান্সক্রিপ্ট বলা ছিল, এখানে (যুক্তরাষ্ট্রে) একটি শিশু জন্ম নিলেই সঙ্গে সঙ্গে নাগরিক হয়ে যায়।
এতে আরও বলা হয়, ‘আজকের দিনে ওই অভিবাসী শ্রেণির মধ্যে এই দেশের প্রতি প্রায় কোনো আনুগত্যই নেই।
ইতোপূর্বে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার নির্দেশ জারি করেছেন। যা যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এ মাসের শুরুতে তিনি এই ইস্যুতে একটি শুনানিতে অংশ নেন, যা আদালতে তার একটি ঐতিহাসিক সফর ছিল।
বৃহস্পতিবার রাতেই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন, (ট্রাম্পের) এই মন্তব্যগুলো স্পষ্টতই অজ্ঞতাপ্রসূত, অনুপযুক্ত এবং রুচিহীন। এগুলো নিশ্চয়ই দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করে না।
এ বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস ‘নরককুণ্ড’ মন্তব্যটিকে ‘চরম অপমানজনক এবং ভারতবিরোধী’ বলে অভিহিত করেছে। বিরোধী বলেছে, এ মন্তব্য প্রত্যেক ভারতীয়কে আঘাত করে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এই বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে উত্থাপন করা উচিত এবং জোরালো আপত্তি জানানো উচিত।
সূত্র: রয়টার্স