এক সাক্ষাৎকারে এস এ চন্দ্রশেখর জানিয়েছেন, তাদের জীবন একসময় খুবই কষ্টের ছিল। আর্থিক সমস্যার কারণে বহু সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে তাদের।
তিনি বলেন, বিজয়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান দেখে তার চোখে জল এসে যায়। কারণ, ছেলে শুধু সফল অভিনেতাই নয়। এবার থেকে তার পুত্র তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী। চন্দ্রশেখর জানান, জীবনের নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বিজয় কখনও হাল ছাড়েননি। কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসার জোরেই তিনি আজ এই জায়গায় পৌঁছেছেন।
বিজয়ের এই সাফল্যে গর্বিত তার বাবা-মা। গর্বিত বাবা সাক্ষাৎকারে বলেন, ও আমার স্বপ্ন পূরণ করেছে। একজন বাবা হিসাবে এর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছু হতে পারে না।
বিজয়ের বাবা আরও বলেন, আমাদের বিয়ে হয়েছিল ১৯৭৩ সালে, বিজয়ের জন্ম ১৯৭৪-এ। তখন আমি সহ-পরিচালক হিসাবে কাজ করি। একসময় খাবারের জন্যও লড়াই করেছি। ও কিন্তু সব মনে রেখেছে।