শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৫:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলামের সফলতা বরিশালে ডিসির বিরুদ্ধে নির্বাচন তহবিল আত্মসাতের অভিযোগ, প্রশাসনে অসন্তোষ ত্বকের জেল্লা বাড়তে যা খাবেন নির্বাচনে পরাজয়, রাজনীতি ছাড়লেন রাজ চক্রবর্তী দুবাইয়ে গালা নাইটে মঞ্চ মাতাবেন জায়েদ খান-ফারিয়া সিলেটে পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে হাসপাতালে গৃহবধূর লাশ রেখে পালালেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন খিচুড়ি কিনতে গিয়ে নিখোঁজ স্কুলছাত্র কক্সবাজার থেকে উদ্ধার মিরপুরে আবারও বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্ট দ্বৈরথ। প্রায় দেড় বছর পর ঘরের মাঠে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে সেই পাকিস্তান। যাদের মাটিতে ইতিহাস গড়ে সিরিজ জিতেছিল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। তাই শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাওয়া ঢাকা টেস্ট ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি উত্তেজনা কাজ করছে দুই শিবিরেই। শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগামী কাল সকাল ১০টায় শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। দুই দলই আত্মবিশ্বাসী অবস্থায় মাঠে নামছে। পাকিস্তান অবশ্য ‘প্রতিশোধ’ শব্দটিকে সামনে আনতে চায় না। অধিনায়ক শান মাসুদ স্পষ্ট করেছেন, তাদের লক্ষ্য শুধুই ভালো ক্রিকেট খেলে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া। অন্যদিকে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও সিরিজের অতীত নয়, বরং পাঁচ দিনে ধারাবাহিক ক্রিকেট খেলাকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন। এই টেস্টে বড় আলোচনার জায়গা হয়ে উঠতে পারে দুই দলের পেস আক্রমণ। পাকিস্তানের শক্তি বরাবরই তাদের ফাস্ট বোলিং ইউনিট। শাহিন শাহ আফ্রিদি, মোহাম্মদ আব্বাসদের অভিজ্ঞতা ও নতুন বলের নিয়ন্ত্রণ সফরকারীদের বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে। তবে বাংলাদেশও এখন আর আগের মতো কেবল স্পিননির্ভর দল নয়। তাসকিন আহমেদ দীর্ঘ বিরতির পর টেস্ট দলে ফিরেছেন। যদিও নাহিদ রানা পুরোপুরি ফিট নন এবং ইবাদত হোসেনও সেরা ছন্দে ফেরার প্রক্রিয়ায় আছেন, তবু সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পেস বিভাগ বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মিরপুরের উইকেট নিয়েও আগ্রহ কম নেই। সাধারণত এই মাঠ ধীরে ধীরে স্পিন সহায়ক হয়ে ওঠে। তবে এবার উইকেটে ঘাস থাকার সম্ভাবনা থাকায় শুরুতে পেসাররা সুবিধা পেতে পারেন। সে কারণেই বাংলাদেশ তিন পেসার নিয়ে নামতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্পিন বিভাগে মেহেদী মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের বড় ভরসা বাবর আজম। সাম্প্রতিক সময়ে ভালো ছন্দে থাকা এই ব্যাটারকে ঘিরেই সফরকারীদের পরিকল্পনা থাকবে। এছাড়া অফ-স্পিনার সাজিদ খনও হতে পারেন বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে বাংলাদেশ দলে নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় আছেন তানজিদ তামিম। একাদশে সুযোগ পেলে তার স্বাভাবিক আক্রমণাত্মক ব্যাটিং দেখতেই চায় টিম ম্যানেজমেন্ট। আবহাওয়াও ম্যাচের বড় ফ্যাক্টর হতে পারে। পাঁচ দিনের টেস্টে অন্তত দুই দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে উইকেটের আচরণ ও সেশনভিত্তিক পরিকল্পনা দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সব মিলিয়ে, সাম্প্রতিক সাফল্যের আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, পাকিস্তান চাইবে নিজেদের পুরনো শক্তির পরিচয় ফিরিয়ে দিতে। তাই মিরপুর টেস্টে ব্যাট-বলের জমজমাট লড়াইয়ের প্রত্যাশা থাকছেই। ঢাকা টেস্টে নতুন পরীক্ষা বাংলাদেশের, প্রস্তুত পাকিস্তানও

নির্বাচনে পরাজয়, রাজনীতি ছাড়লেন রাজ চক্রবর্তী

সদ্য হয়ে যাওয়া বিধানসভা নির্বাচনের সময় বারাকপুরের রোড শোয়ে হাইভোল্টেজ প্রচারে তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীকে মালা পরিয়ে ভালোবাসা ভরিয়ে দিয়েছিল এলাকাবাসী। কিন্তু ৪ মে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরই যেন সবকিছু উল্টে গেছে!

ভোট গণনাকেন্দ্র ছাড়ার সময় ‘চোর চোর’ স্লোগানের সঙ্গে রাজকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় কাদা এবং চটি।

তবুও নিজেকে সংযত রেখেছিলেন পরিচালক ও প্রাক্তন বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী, হাসিমুখেই ছাড়েন গণনাকেন্দ্র। 

ভোটের ফল ঘোষণার ৯৬ ঘণ্টা পর নীরবতা ভাঙলেন রাজ।

রাজনীতি নিয়ে বিরাট সিদ্ধান্ত পরিচালকের। 

গণমাধ্যমে জানিয়েছেন ২০২৬-এ রাজনীতির ময়দান ছাড়লেন, শেষ হল রৈজনৈতিক জীবনের পথচলা।

জীবনে চলার পথে চড়াই-উৎরাই, হার-জিত তো থাকবেই। পরিচালক হিসেবেও অনেক সময় জিতেছেন আবার কখনও হেরেও গিয়েছেন।
 

বিষয়টি উল্লেখ করে রাজের বক্তব্য, ‘জীবনে যখনই কোনও দায়িত্ব পেয়েছি সেটা নিষ্ঠা এবং সততার সঙ্গে পালন করেছি। চেষ্টা করেছি নিজের সবটুকু দেওয়ার। একজন পরিচালক হিসেবে সিনেমার মাধ্যমে মানুষকে সবসময় আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কখনও জিতেছি, কখনও হেরেছি।’

২০২১-এ রাজনীতিতে অভিষেক রাজের। ২০২৬-এর নির্বাচনে পরাজয়ের পর রাজের ভাষ্য, ‘২০২১ থেকে আমার রাজনৈতিক জীবনে পদার্পণ। মানুষ আমাকে সুযোগ দিয়েছিলেন কাজ করার। পরবর্তী পাঁচ বছর সেভাবেই বিধায়কের দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করেছি। সেই অধ্যায় শেষ হল ২০২৬-এ। সেই সঙ্গে শেষ হল রাজনৈতিক জীবনের পথচলা।’

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে জনমতকে প্রাধান্য দিয়ে নতুন সরকারকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাজ চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গের উন্নতি ও সকলের সুস্থতা কামনা করেন তিনি।

তার কথায়, ‘বাংলার মানুষের মতামতে বাংলায় নতুন সরকার এসেছে। আগামী ৯ মে তারা শপথ নেবেন। তাদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। আশা করব, আপনাদের হাত ধরে পশ্চিমবঙ্গ উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে। মানুষের সমস্ত সমস্যার সমাধান হবে। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।’



Our Like Page

মিরপুরে আবারও বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্ট দ্বৈরথ। প্রায় দেড় বছর পর ঘরের মাঠে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে সেই পাকিস্তান। যাদের মাটিতে ইতিহাস গড়ে সিরিজ জিতেছিল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। তাই শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাওয়া ঢাকা টেস্ট ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি উত্তেজনা কাজ করছে দুই শিবিরেই। শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগামী কাল সকাল ১০টায় শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। দুই দলই আত্মবিশ্বাসী অবস্থায় মাঠে নামছে। পাকিস্তান অবশ্য ‘প্রতিশোধ’ শব্দটিকে সামনে আনতে চায় না। অধিনায়ক শান মাসুদ স্পষ্ট করেছেন, তাদের লক্ষ্য শুধুই ভালো ক্রিকেট খেলে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া। অন্যদিকে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও সিরিজের অতীত নয়, বরং পাঁচ দিনে ধারাবাহিক ক্রিকেট খেলাকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন। এই টেস্টে বড় আলোচনার জায়গা হয়ে উঠতে পারে দুই দলের পেস আক্রমণ। পাকিস্তানের শক্তি বরাবরই তাদের ফাস্ট বোলিং ইউনিট। শাহিন শাহ আফ্রিদি, মোহাম্মদ আব্বাসদের অভিজ্ঞতা ও নতুন বলের নিয়ন্ত্রণ সফরকারীদের বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে। তবে বাংলাদেশও এখন আর আগের মতো কেবল স্পিননির্ভর দল নয়। তাসকিন আহমেদ দীর্ঘ বিরতির পর টেস্ট দলে ফিরেছেন। যদিও নাহিদ রানা পুরোপুরি ফিট নন এবং ইবাদত হোসেনও সেরা ছন্দে ফেরার প্রক্রিয়ায় আছেন, তবু সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পেস বিভাগ বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মিরপুরের উইকেট নিয়েও আগ্রহ কম নেই। সাধারণত এই মাঠ ধীরে ধীরে স্পিন সহায়ক হয়ে ওঠে। তবে এবার উইকেটে ঘাস থাকার সম্ভাবনা থাকায় শুরুতে পেসাররা সুবিধা পেতে পারেন। সে কারণেই বাংলাদেশ তিন পেসার নিয়ে নামতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্পিন বিভাগে মেহেদী মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের বড় ভরসা বাবর আজম। সাম্প্রতিক সময়ে ভালো ছন্দে থাকা এই ব্যাটারকে ঘিরেই সফরকারীদের পরিকল্পনা থাকবে। এছাড়া অফ-স্পিনার সাজিদ খনও হতে পারেন বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে বাংলাদেশ দলে নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় আছেন তানজিদ তামিম। একাদশে সুযোগ পেলে তার স্বাভাবিক আক্রমণাত্মক ব্যাটিং দেখতেই চায় টিম ম্যানেজমেন্ট। আবহাওয়াও ম্যাচের বড় ফ্যাক্টর হতে পারে। পাঁচ দিনের টেস্টে অন্তত দুই দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে উইকেটের আচরণ ও সেশনভিত্তিক পরিকল্পনা দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সব মিলিয়ে, সাম্প্রতিক সাফল্যের আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, পাকিস্তান চাইবে নিজেদের পুরনো শক্তির পরিচয় ফিরিয়ে দিতে। তাই মিরপুর টেস্টে ব্যাট-বলের জমজমাট লড়াইয়ের প্রত্যাশা থাকছেই।