ভোট গণনাকেন্দ্র ছাড়ার সময় ‘চোর চোর’ স্লোগানের সঙ্গে রাজকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় কাদা এবং চটি।
ভোটের ফল ঘোষণার ৯৬ ঘণ্টা পর নীরবতা ভাঙলেন রাজ।
গণমাধ্যমে জানিয়েছেন ২০২৬-এ রাজনীতির ময়দান ছাড়লেন, শেষ হল রৈজনৈতিক জীবনের পথচলা।
বিষয়টি উল্লেখ করে রাজের বক্তব্য, ‘জীবনে যখনই কোনও দায়িত্ব পেয়েছি সেটা নিষ্ঠা এবং সততার সঙ্গে পালন করেছি। চেষ্টা করেছি নিজের সবটুকু দেওয়ার। একজন পরিচালক হিসেবে সিনেমার মাধ্যমে মানুষকে সবসময় আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কখনও জিতেছি, কখনও হেরেছি।’
২০২১-এ রাজনীতিতে অভিষেক রাজের। ২০২৬-এর নির্বাচনে পরাজয়ের পর রাজের ভাষ্য, ‘২০২১ থেকে আমার রাজনৈতিক জীবনে পদার্পণ। মানুষ আমাকে সুযোগ দিয়েছিলেন কাজ করার। পরবর্তী পাঁচ বছর সেভাবেই বিধায়কের দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করেছি। সেই অধ্যায় শেষ হল ২০২৬-এ। সেই সঙ্গে শেষ হল রাজনৈতিক জীবনের পথচলা।’
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে জনমতকে প্রাধান্য দিয়ে নতুন সরকারকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাজ চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গের উন্নতি ও সকলের সুস্থতা কামনা করেন তিনি।
তার কথায়, ‘বাংলার মানুষের মতামতে বাংলায় নতুন সরকার এসেছে। আগামী ৯ মে তারা শপথ নেবেন। তাদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। আশা করব, আপনাদের হাত ধরে পশ্চিমবঙ্গ উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে। মানুষের সমস্ত সমস্যার সমাধান হবে। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।’