তিনি জানান, হামলায় আহত রেশমি বেগম বাদী হয়ে নয়জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেছেন।
ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মামলার আসামিরা হলেন, মো. আলী আকবর (৪৮), মো. বাপ্পা (৩৫), মো. বাবু (৪৫), মো. কাউসার (২৬), মো. আজম (৪০), শেখ মো. সাজ্জাদুল হক রাসেল (৩৮), কাজী জহির (৫২), মো. মিজান (৩৮) ও কাজী পনির (৫০)।
মামলার এজাহারে বাদী রেশমি বেগম উল্লেখ করেন, তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে শাহ আলী মাজারে জিয়ারত করে আসছেন এবং বিভিন্ন ওরস ও ধর্মীয় আয়োজনে ভক্তদের সহযোগিতা করেন। প্রতি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর মাজারে মানত ও জিয়ারতের জন্য হাজারো মানুষের সমাগম হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে জিয়ারত ও মানতের কার্যক্রম চলাকালে ১০০ থেকে ১৫০ জন হামলাকারী মাজারের প্রধান ফটক দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে ভাঙচুর ও হামলা চালায়। এ সময় তারা গাছের গোড়ায় থাকা শিরনির ডেগের লাল কাপড় ছিঁড়ে ফেলে এবং মোমবাতি জ্বালানোর প্লেট ভাঙচুর করে।
বাদী অভিযোগ করেন, হামলায় বাধা দিতে গেলে তাকে মারধর করা হয় এবং তাঁর পরনের কাপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করা হয়। এ ছাড়া হামলাকারীরা মাজারের প্রায় ৩০ হাজার টাকার মালামাল ভাঙচুর করে এবং জিয়ারতকারীদের কাছ থেকে প্রায় ৯০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।