নাহিদ রানার বোলিং নিয়ে আলাদা করে কথা বলেন কেলি। তিনি আরও বলেন, ‘সে খুবই রোমাঞ্চকর একজন তরুণ বোলার।
ম্যাচে রানার বোলিংয়ের ধরন নিয়েও বিশ্লেষণ করেন এই কিউই ব্যাটার। তিনি মনে করেন, আগের ম্যাচের তুলনায় এবার রানা আরও বেশি স্টাম্পে আক্রমণ করেছেন এবং বাউন্স ও গতির ভিন্নতা কাজে লাগিয়েছেন।
কেলি বলেন, ‘সে বল হাতে আসার পর থেকেই প্রস্তুত থাকতে হয়। কোনো ‘ওয়ার্ম-আপ’ ডেলিভারি নেই। প্রথম বল থেকেই সে গতিতে আঘাত করেছে।’
নিউজিল্যান্ডের ইনিংসে মাঝের ওভারে গড়ে ওঠা দুটি জুটি ভেঙে দেন নাহিদ রানা, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এ ব্যাপারে কেলি বলেন, ‘সে একজন উইকেট-টেকার। ছোট ছোট স্পেলে এসে দ্রুতগতিতে বল করে এবং ম্যাচে প্রভাব ফেলে। আজ সে সেটাই করেছে।’
২০০ রানের পুঁজি নিয়ে মাঠে নামা নিউজিল্যান্ড শুরুতে লড়াইয়ের আশা দেখলেও শেষ পর্যন্ত তা যথেষ্ট হয়নি বলে মনে করেন কেলি। তার ভাষ্য, ‘আমরা সবসময়ই বিশ্বাস করি যে আমাদের দ্বারা সম্ভব। তবে বাস্তবতা হলো, ২৪০-২৫০ রান দরকার ছিল। বাংলাদেশ শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলেছে এবং আমাদের চাপে ফেলেছে।’