শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
৩ টাকার কলমে স্বপ্ন: ‘ইকনো কামাল’-এর গল্প,ব্যবসা থেকে রাজনীতির উত্থান শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি: ব্যক্তিগত জীবনের বিতর্ক পেরিয়ে বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে ‘শান্তির খোঁজ’ প্লাস্টিক সার্জারি বিতর্কে মুখ খুললেন কেয়া পায়েল: “ভক্তরা মেনে নিতে পারেনি” দীর্ঘ অপেক্ষার পর দুই বাংলায় মুক্তি পাচ্ছে শবনম বুবলী অভিনীত ‘ফ্ল্যাশব্যাক’ অবরোধের মধ্যেও ইরানের ঘুরে দাঁড়ানো: ফ্লাইট চালু, তেল আয়ে উল্টো বৃদ্ধি হরমুজ সংকটের ছায়ায় নতুন বাণিজ্যপথ: ইউরোপমুখী বিকল্প করিডোরে জোর দিচ্ছে উপসাগরীয় অঞ্চল মধ্যপ্রাচ্য সংকট: তেলের দাম বেড়ে ১১১ ডলার, চাপে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনীতি কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক মিডফোর্ট হাসপালের হিসাব রক্ষক জাহিদুর রহিম খিলগাঁওয়ের সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেলের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ গণপূর্তের প্রকৌশলী ফজলুল হক মধু :দুদকের তদন্ত ধামাচাপা দিয়ে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়

কোহলির ঝড়ে রানের পাহাড় টপকে দাপুটে জয় বেঙ্গালুরুর

আইপিএলের নতুন মৌসুম শুরু হলো রানের ঝড় দিয়েই। সেই ঝড়ের শেষ হাসি হাসল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। উদ্বোধনী ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ২০০ পেরোনো সংগ্রহ অনায়াসেই টপকে ৬ উইকেটের জয় তুলে নেয় বেঙ্গালুরু।

এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি হায়দরাবাদের।

নিউজিল্যান্ড পেসার জ্যাকব ডাফি নিজের আইপিএল অভিষেকেই দুর্দান্ত বোলিং করে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলেন। শুরুতেই আঘাত করে ফেরান অভিষেক শর্মা ও ট্রাভিস হেডকে। পরে আউট করেন নীতিশ কুমার রেড্ডিকেও। তার নিয়ন্ত্রিত স্পেলে বড় সংগ্রহ গড়ার পথে ধাক্কা খায় হায়দরাবাদ
তবে তিন নম্বরে নেমে ম্যাচের রং বদলে দেন ঈশান কিশান। অধিনায়ক হিসেবে নিজের প্রথম ম্যাচেই ৩৮ বলে ৮০ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন তিনি। যেখানে ছিল পাঁচটি ছক্কা ও আটটি চার। মাঝের দিকে হেনরিক ক্লাসেন ২২ বলে ৩১ এবং শেষদিকে অনিকেত ভার্মা ১৮ বলে ৪৩ রানের কার্যকর ইনিংস খেলে দলকে ২০১ রানের লড়াকু সংগ্রহ এনে দেনজবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ফিল সল্টের উইকেট হারায় বেঙ্গালুরু। তবে দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা। দেবদূত পাডিক্কাল ও বিরাট কোহলি মিলে দ্বিতীয় উইকেটে মাত্র ৪৫ বলে ১০১ রানের জুটি গড়ে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন। পাডিক্কাল ২৬ বলে ৬১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আউট হলেও কাজটা অনেকটাই সেরে দেন।

এরপর রজত প্রতিদার দ্রুত ৩১ রান করে কোহলিকে সঙ্গ দেন।

শেষদিকে টানা দুই উইকেট পড়ে সামান্য উত্তেজনা তৈরি হলেও টিম ডেভিডকে নিয়ে আর কোনো ঝামেলা হতে দেননি কোহলি। 

শেষ ৫ ওভারে যখন দরকার ছিল মাত্র ১৭ রান। তখনই নিজের স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে ম্যাচ শেষ করেন কোহলি। ১৬তম ওভারে এক ছক্কা ও পরপর তিনটি চার মেরে জয় নিশ্চিত করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৬৯ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন এই ভারতীয় তারকা।



Our Like Page