সোমবার (১৬ মার্চ) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, ২০২৫ সালের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনের তদন্ত সংক্রান্ত যে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে, তা বোর্ডের নির্বাচিত প্রশাসনের স্থিতিশীলতা, স্বাধীনতা ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আইসিসির পূর্ণ সদস্য হিসেবে তারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ‘গ্লোবাল গভর্ন্যান্স’ কাঠামো অনুযায়ী পরিচালিত হয়। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, কোনো নির্বাচিত ক্রিকেট বোর্ডের কাজে তৃতীয় পক্ষের বা সরকারি হস্তক্ষেপ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এ ধরনের কোনো পদক্ষেপ আইসিসির ‘গভর্ন্যান্স ও কমপ্লায়েন্স’ নীতিমালার আওতায় তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখে পড়তে পারে।
বিসিবি জানায়, বিষয়টি ইতোমধ্যে আইসিসির শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন প্রতিনিধির সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায়ও উত্থাপন করা হয়েছে। সেখানে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, কোনো গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত ক্রিকেট বোর্ডের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ক্রিকেটের স্থিতিশীলতা, স্বাধীনতা ও অগ্রগতি নিশ্চিত করার স্বার্থে বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে অনুরোধ জানিয়েছে বিসিবি। বিষয়টি যেন এমনভাবে সমাধান করা হয়, যা বাংলাদেশের ক্রিকেটের স্থিতিশীলতা, স্বাধীনতা ও ধারাবাহিক অগ্রগতি নিশ্চিত করবে।