ইরানি উপকূল থেকে পাঁচ মাইল দূরে অবস্থিত খার্গ দ্বীপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দেশটির অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই এ দ্বীপের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
শুক্রবার ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে লিখেছেন, কিছুক্ষণ আগে আমার নির্দেশে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড মধ্যপ্রাচ্যে ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে এবং ইরানের মুকুটের মণি হিসেবে পরিচিত খার্গ দ্বীপের প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে।
তিনি লিখেছেন, আমাদের অস্ত্রশস্ত্র জানামতে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও আধুনিক। তবে মানবিক কারণে আমি এই মুহূর্তে দ্বীপটির তেল অবকাঠামো ধ্বংস না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
জাহাজগুলো যদি হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করতে না পারে, তবে তেল স্থাপনায় হামলার বিষয়টি পুনরায় বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প।
এক মার্কিন কর্মকর্তা সিএনএনকে নিশ্চিত করেছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী খার্গ দ্বীপে একটি ‘বড় হামলা’ চালিয়েছে। তবে ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী সেখানে সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস হয়েছে কি না, সে বিষয়ে ওই কর্মকর্তা কিছু জানাননি।
এদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ পোস্ট করা একটি ভিডিওতে ইরানের খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলার দৃশ্য ধরা পড়েছে।
ভিডিওজুড়ে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ও কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যাচ্ছে। সিএনএন স্যাটেলাইট ইমেজের সঙ্গে ভিডিওর ফ্রেমগুলো মিলিয়ে দেখে নিশ্চিত করেছে, এ হামলাগুলো খার্গ দ্বীপেই চালানো হয়েছে।
সূত্র: সিএনএন