বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) এফবিসিসিআইয়ের মতিঝিল কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সুপারিশ প্রণয়নের উদ্দেশে এফবিসিসিআইয়ের সদস্য সংগঠনগুলোর সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় এসব প্রস্তাব জানানো হয়।
প্রস্তাবে বলা হয়, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় নিয়ে দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে। বিশেষ করে–জাতীয় বাজেটে সুদের হার যৌক্তিকীকরণ, কর-জিডিপি অনুপাদ বৃদ্ধি, ওয়ান স্টপ সার্ভিসের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, বন্দর ও লজিস্টিকস ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিশ্চিতকরণ, রপ্তানি বহুমুখীকরণে অগ্রাধিকার খাতের উন্নয়ন, সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়ারহাউজ স্থাপন এবং অংশীজনভিত্তিক আইন প্রণেয়ন প্রভৃতি প্রস্তাব জানানো হয়েছে এফবিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে
সভায় এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. আবদুর রহিম খান জানান, সরকার দেশে ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য ঠিক করেছে। ব্যবসায়ীদের অভয় দিয়ে তিনি বলেন, সরকার রাজস্ব আহরণ বাড়াতে চায় মানে এ নয় আপনাদের ওপর করের বোঝা বাড়বে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে এফবিসিসিআইয়ের মহাসচিব মো. আলমগীর বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট এমন একটি সময় হতে যাচ্ছে- যখন বিশ্ব অর্থনীতি একটি অস্থিতিশীল, জ্বালানির বাজার অস্থির এবং বিনিয়োগ সম্ভাবনা অনিশ্চিত। এমন পরিস্থিতিতে- নতুন সরকারের জন্য এবারের বাজেট প্রণয়ন হবে চ্যালেঞ্জিং। ব্যবসায়ী সমাজকে যৌক্তিক প্রস্তাবনা প্রদানের মাধ্যমে সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে।