বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
৩ টাকার কলমে স্বপ্ন: ‘ইকনো কামাল’-এর গল্প,ব্যবসা থেকে রাজনীতির উত্থান শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি: ব্যক্তিগত জীবনের বিতর্ক পেরিয়ে বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে ‘শান্তির খোঁজ’ প্লাস্টিক সার্জারি বিতর্কে মুখ খুললেন কেয়া পায়েল: “ভক্তরা মেনে নিতে পারেনি” দীর্ঘ অপেক্ষার পর দুই বাংলায় মুক্তি পাচ্ছে শবনম বুবলী অভিনীত ‘ফ্ল্যাশব্যাক’ অবরোধের মধ্যেও ইরানের ঘুরে দাঁড়ানো: ফ্লাইট চালু, তেল আয়ে উল্টো বৃদ্ধি হরমুজ সংকটের ছায়ায় নতুন বাণিজ্যপথ: ইউরোপমুখী বিকল্প করিডোরে জোর দিচ্ছে উপসাগরীয় অঞ্চল মধ্যপ্রাচ্য সংকট: তেলের দাম বেড়ে ১১১ ডলার, চাপে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনীতি কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক মিডফোর্ট হাসপালের হিসাব রক্ষক জাহিদুর রহিম খিলগাঁওয়ের সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেলের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ গণপূর্তের প্রকৌশলী ফজলুল হক মধু :দুদকের তদন্ত ধামাচাপা দিয়ে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়

কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক মিডফোর্ট হাসপালের হিসাব রক্ষক জাহিদুর রহিম

মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (মিটফোর্ড ইউনিট) হিসাব বিভাগে কর্মরত এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হচ্ছে, দায়িত্ব পালনকালেই তিনি সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনার সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন।

অভিযুক্ত হিসাবরক্ষকের নাম জাহিদুর রহিম। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তার পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগ

সূত্রের বরাতে জানা যায়, সরকারি তহবিল ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় জাহিদুর রহিমের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, হিসাব গরমিল এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় ধরে তিনি দায়িত্বে থাকাকালে বিভিন্ন আর্থিক লেনদেনে অনিয়মের সুযোগ নিয়েছেন।

এ বিষয়ে অনুসন্ধানে আরও বলা হয়, তার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক নামেও একাধিক স্থাবর সম্পদের খোঁজ পাওয়া গেছে, যা তার বৈধ আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে দাবি করা হচ্ছে।

ডেমরায় একাধিক সম্পত্তির তথ্য

রাজধানীর ডেমরা এলাকায় জাহিদুর রহিমের নামে একাধিক স্থাপনার তথ্য পাওয়া গেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এর মধ্যে রয়েছে—

  • বাঁশের পুল এলাকায় “নূরমহল” নামে একটি ৮ তলা ভবন
  • বাদশা মিয়া রোডের মুসলিম নগর টাওয়ারে দুটি ফ্ল্যাট
  • একই এলাকায় নির্মাণাধীন আরও একটি ৮ তলা ভবনের মালিকানা

এসব সম্পত্তির উৎস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহলে।

তদন্তের দাবি ও প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়া

ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে এবং সংশ্লিষ্ট মহলে দ্রুত তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সরকারি প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন অভিযোগ ওঠা নতুন করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করছেন অনেকে। তবে বিষয়টি এখন তদন্তসাপেক্ষ—ফলে শেষ পর্যন্ত কী তথ্য সামনে আসে, তা নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুসন্ধানের ওপর।



Our Like Page