বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
৩ টাকার কলমে স্বপ্ন: ‘ইকনো কামাল’-এর গল্প,ব্যবসা থেকে রাজনীতির উত্থান শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি: ব্যক্তিগত জীবনের বিতর্ক পেরিয়ে বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে ‘শান্তির খোঁজ’ প্লাস্টিক সার্জারি বিতর্কে মুখ খুললেন কেয়া পায়েল: “ভক্তরা মেনে নিতে পারেনি” দীর্ঘ অপেক্ষার পর দুই বাংলায় মুক্তি পাচ্ছে শবনম বুবলী অভিনীত ‘ফ্ল্যাশব্যাক’ অবরোধের মধ্যেও ইরানের ঘুরে দাঁড়ানো: ফ্লাইট চালু, তেল আয়ে উল্টো বৃদ্ধি হরমুজ সংকটের ছায়ায় নতুন বাণিজ্যপথ: ইউরোপমুখী বিকল্প করিডোরে জোর দিচ্ছে উপসাগরীয় অঞ্চল মধ্যপ্রাচ্য সংকট: তেলের দাম বেড়ে ১১১ ডলার, চাপে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনীতি কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক মিডফোর্ট হাসপালের হিসাব রক্ষক জাহিদুর রহিম খিলগাঁওয়ের সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেলের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ গণপূর্তের প্রকৌশলী ফজলুল হক মধু :দুদকের তদন্ত ধামাচাপা দিয়ে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়

বরগুনা এলজিইডি প্রকৌশলী আবদুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

বরগুনা সদর উপজেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি)-এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবদুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, অনিয়ম ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে তিনি গড়ে তুলেছেন বিপুল সম্পদের পাহাড়।
জানা যায়, তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৩) এর আওতায় ২০১৩-১৪ অর্থবছরে প্রায় ৩০ কোটি টাকার ৩৭টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র-কাম বিদ্যালয় নির্মাণ প্রকল্পে দরপত্র প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন আবদুর রাজ্জাক। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ঠিকাদারদের কাছ থেকে এক কোটি টাকারও বেশি অর্থ গ্রহণ করেন এবং সর্বনিম্ন দরদাতাকে বাদ দিয়ে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেন।
এছাড়া ইসিআরআরপি প্রকল্পের আওতায় নির্মিত বাঁশবুনিয়া, লাঙ্গলকাটা, পুরাকাটা ও রায়েরতবক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-কাম আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে নিম্নমানের নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দাবি, অল্প বৃষ্টিতেই ভবনের ছাদ দিয়ে পানি চুইয়ে পড়ে, যা শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।
অভিযোগ রয়েছে, সড়ক উন্নয়ন কাজেও ব্যাপক অনিয়ম করেছেন এই প্রকৌশলী। গর্জনবুনিয়া থেকে বাবুগঞ্জ বাজার সংযোগ সড়কের ক্ষেত্রে প্রকৃত ব্যয়ের তুলনায় অতিরিক্ত প্রাক্কলন তৈরি করে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। এছাড়া কোনো কাজ না করেই অর্থ উত্তোলন এবং নিম্নমানের কাজের কারণে সড়ক দ্রুত নষ্ট হওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে।
স্থানীয়দের দাবি, এসব দুর্নীতির টাকায় আবদুর রাজ্জাক বরগুনা, পটুয়াখালী ও ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে বাড়ি, জমি ও ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন।
তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে আবদুর রাজ্জাক বলেন, “কিছু অসাধু ঠিকাদার উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে এলজিইডি বরগুনার নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান জানান, অভিযোগগুলো লিখিত আকারে পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, একাধিক গুরুতর অভিযোগ ওঠার পরও এখনো দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।



Our Like Page