বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
৩ টাকার কলমে স্বপ্ন: ‘ইকনো কামাল’-এর গল্প,ব্যবসা থেকে রাজনীতির উত্থান শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি: ব্যক্তিগত জীবনের বিতর্ক পেরিয়ে বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে ‘শান্তির খোঁজ’ প্লাস্টিক সার্জারি বিতর্কে মুখ খুললেন কেয়া পায়েল: “ভক্তরা মেনে নিতে পারেনি” দীর্ঘ অপেক্ষার পর দুই বাংলায় মুক্তি পাচ্ছে শবনম বুবলী অভিনীত ‘ফ্ল্যাশব্যাক’ অবরোধের মধ্যেও ইরানের ঘুরে দাঁড়ানো: ফ্লাইট চালু, তেল আয়ে উল্টো বৃদ্ধি হরমুজ সংকটের ছায়ায় নতুন বাণিজ্যপথ: ইউরোপমুখী বিকল্প করিডোরে জোর দিচ্ছে উপসাগরীয় অঞ্চল মধ্যপ্রাচ্য সংকট: তেলের দাম বেড়ে ১১১ ডলার, চাপে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনীতি কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক মিডফোর্ট হাসপালের হিসাব রক্ষক জাহিদুর রহিম খিলগাঁওয়ের সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেলের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ গণপূর্তের প্রকৌশলী ফজলুল হক মধু :দুদকের তদন্ত ধামাচাপা দিয়ে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়

ফরিদপুরে স্কুল ফিডিংয়ে অনিয়ম: নিম্নমানের খাবার বিতরণে শিক্ষিকা বরখাস্ত

ফরিদপুর সদর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে অনিয়ম এবং নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগে এক সহকারী শিক্ষিকাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষিকার নাম গোলাপী বেগম। তিনি ৯৩ নম্বর শহীদ সালাহ উদ্দীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দীন বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত ২৫ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে খাওয়ার অনুপযোগী কাঁচা কলা গ্রহণ করা হয়। পরদিন সেই কলা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হলে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এতে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার ভাবমূর্তিও প্রশ্নের মুখে পড়ে।

পরে বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে এলে তদন্ত করে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮-এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগে ২৮ এপ্রিল থেকে ওই শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত খোরাকি ভাতা পাবেন।

স্থানীয়দের মতে, স্কুল ফিডিং কর্মসূচির মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগে এ ধরনের অনিয়ম শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলতে পারে এবং পুরো ব্যবস্থার প্রতি আস্থা কমিয়ে দেয়। তারা ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে আরও কঠোর তদারকির দাবি জানিয়েছেন।



Our Like Page