শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলামের সফলতা বরিশালে ডিসির বিরুদ্ধে নির্বাচন তহবিল আত্মসাতের অভিযোগ, প্রশাসনে অসন্তোষ ত্বকের জেল্লা বাড়তে যা খাবেন নির্বাচনে পরাজয়, রাজনীতি ছাড়লেন রাজ চক্রবর্তী দুবাইয়ে গালা নাইটে মঞ্চ মাতাবেন জায়েদ খান-ফারিয়া সিলেটে পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে হাসপাতালে গৃহবধূর লাশ রেখে পালালেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন খিচুড়ি কিনতে গিয়ে নিখোঁজ স্কুলছাত্র কক্সবাজার থেকে উদ্ধার মিরপুরে আবারও বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্ট দ্বৈরথ। প্রায় দেড় বছর পর ঘরের মাঠে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে সেই পাকিস্তান। যাদের মাটিতে ইতিহাস গড়ে সিরিজ জিতেছিল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। তাই শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাওয়া ঢাকা টেস্ট ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি উত্তেজনা কাজ করছে দুই শিবিরেই। শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগামী কাল সকাল ১০টায় শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। দুই দলই আত্মবিশ্বাসী অবস্থায় মাঠে নামছে। পাকিস্তান অবশ্য ‘প্রতিশোধ’ শব্দটিকে সামনে আনতে চায় না। অধিনায়ক শান মাসুদ স্পষ্ট করেছেন, তাদের লক্ষ্য শুধুই ভালো ক্রিকেট খেলে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া। অন্যদিকে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও সিরিজের অতীত নয়, বরং পাঁচ দিনে ধারাবাহিক ক্রিকেট খেলাকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন। এই টেস্টে বড় আলোচনার জায়গা হয়ে উঠতে পারে দুই দলের পেস আক্রমণ। পাকিস্তানের শক্তি বরাবরই তাদের ফাস্ট বোলিং ইউনিট। শাহিন শাহ আফ্রিদি, মোহাম্মদ আব্বাসদের অভিজ্ঞতা ও নতুন বলের নিয়ন্ত্রণ সফরকারীদের বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে। তবে বাংলাদেশও এখন আর আগের মতো কেবল স্পিননির্ভর দল নয়। তাসকিন আহমেদ দীর্ঘ বিরতির পর টেস্ট দলে ফিরেছেন। যদিও নাহিদ রানা পুরোপুরি ফিট নন এবং ইবাদত হোসেনও সেরা ছন্দে ফেরার প্রক্রিয়ায় আছেন, তবু সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পেস বিভাগ বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মিরপুরের উইকেট নিয়েও আগ্রহ কম নেই। সাধারণত এই মাঠ ধীরে ধীরে স্পিন সহায়ক হয়ে ওঠে। তবে এবার উইকেটে ঘাস থাকার সম্ভাবনা থাকায় শুরুতে পেসাররা সুবিধা পেতে পারেন। সে কারণেই বাংলাদেশ তিন পেসার নিয়ে নামতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্পিন বিভাগে মেহেদী মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের বড় ভরসা বাবর আজম। সাম্প্রতিক সময়ে ভালো ছন্দে থাকা এই ব্যাটারকে ঘিরেই সফরকারীদের পরিকল্পনা থাকবে। এছাড়া অফ-স্পিনার সাজিদ খনও হতে পারেন বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে বাংলাদেশ দলে নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় আছেন তানজিদ তামিম। একাদশে সুযোগ পেলে তার স্বাভাবিক আক্রমণাত্মক ব্যাটিং দেখতেই চায় টিম ম্যানেজমেন্ট। আবহাওয়াও ম্যাচের বড় ফ্যাক্টর হতে পারে। পাঁচ দিনের টেস্টে অন্তত দুই দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে উইকেটের আচরণ ও সেশনভিত্তিক পরিকল্পনা দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সব মিলিয়ে, সাম্প্রতিক সাফল্যের আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, পাকিস্তান চাইবে নিজেদের পুরনো শক্তির পরিচয় ফিরিয়ে দিতে। তাই মিরপুর টেস্টে ব্যাট-বলের জমজমাট লড়াইয়ের প্রত্যাশা থাকছেই। ঢাকা টেস্টে নতুন পরীক্ষা বাংলাদেশের, প্রস্তুত পাকিস্তানও

গণতন্ত্র বজায় রেখেও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব: মাহমুদা মিতু

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক প্রভাব ও দলীয়করণকে একটি বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু বলেছেন, শিক্ষা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দলীয় প্রভাব কমানো জরুরি। স্থানীয় পর্যায়ে অনেক অযোগ্য ব্যক্তি ক্ষমতার পদে বসে আছেন।

গণতন্ত্র বজায় রেখেও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের মিডিয়া বাজারে ‘সরকারের অগ্রাধিকার ও শিক্ষা খাত: বাজেট ও বাস্তবতা’ শীর্ষক নাগরিক প্ল্যাটফর্ম সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

‘এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ’ এর আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে মাহমুদা মিতু শিক্ষা খাতের বিভিন্ন সমস্যা, দুর্নীতি, রাজনৈতিক প্রভাব এবং গ্রামীণ শিক্ষাব্যবস্থার দুরবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে একটি নতুন ও মানবিক রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনের আশা নিয়েই তিনি কথা বলছেন। সরকারের পক্ষ থেকে অনেক আশাব্যঞ্জক কথা বলা হলেও বাস্তবে সেগুলোর কতটা বাস্তবায়ন হবে, তা নিয়ে তার সংশয় রয়েছে।
ডা. মিতু বলেন, তিনি নিজেকে জনগণ ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন হিসেবে মনে করেন। জনগণের সমস্যাগুলো নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তুলে ধরাই তার দায়িত্ব। তিনি শিক্ষা খাতকে দুইভাবে দেখার কথা বলেন-প্রথমত দুর্নীতি নিয়ে আলোচনা এবং দ্বিতীয়ত শিক্ষানীতি নিয়ে আলোচনা। তার মতে,দুর্নীতি বন্ধ না করলে শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি সম্ভব নয়।

তিনি গ্রামীণ শিক্ষাব্যবস্থার দুরবস্থার একটি বাস্তব উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি জানান, যে স্কুল থেকে তিনি বৃত্তি পেয়েছিলেন, সেই স্কুলে এখনো কোনো নিরাপত্তাব্যবস্থা নেই। এমনকি স্কুলের ফ্যান চুরি হওয়ার ভয়ে শিক্ষকরা প্রতিদিন খুলে নিয়ে যান। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সরকারের নীতিমালা আদৌ এসব প্রত্যন্ত অঞ্চলের সমস্যাগুলো পর্যন্ত পৌঁছাবে কি না।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এই কেন্দ্রীয় নেত্রী বলেন, তরুণ নেতৃত্বদের এমন নীতিগত আলোচনা থেকে শেখার সুযোগ তৈরি হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এসব অভিজ্ঞতা সংসদ পর্যন্ত নিয়ে যেতে চান। তিনি শিক্ষা খাতে দুর্নীতি কোথায় কোথায় হচ্ছে, তা নিয়ে আলাদা নীতিগত আলোচনা হওয়ার প্রস্তাব দেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সব শিশু গান, নাচ বা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে আগ্রহী হবে না। কেউ আবৃত্তি, বক্তৃতা বা অন্য কোনো বিষয়ে দক্ষ হতে পারে। আবার কিছু পরিবারের ধর্মীয় সীমাবদ্ধতাও থাকতে পারে। তাই সব শিক্ষার্থীকে সমানভাবে মূল্যায়নের ব্যবস্থা থাকা উচিত বলে তিনি মত দেন।

এছাড়া তিনি অবহেলিত এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ করে অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবি জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি তার আস্থা রয়েছে বলেই তিনি নিজের সন্তানদের দেশীয় কারিকুলামে পড়াচ্ছেন এবং দেশের মধ্যেই ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন দেখছেন।



Our Like Page

মিরপুরে আবারও বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্ট দ্বৈরথ। প্রায় দেড় বছর পর ঘরের মাঠে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে সেই পাকিস্তান। যাদের মাটিতে ইতিহাস গড়ে সিরিজ জিতেছিল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। তাই শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাওয়া ঢাকা টেস্ট ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি উত্তেজনা কাজ করছে দুই শিবিরেই। শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগামী কাল সকাল ১০টায় শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। দুই দলই আত্মবিশ্বাসী অবস্থায় মাঠে নামছে। পাকিস্তান অবশ্য ‘প্রতিশোধ’ শব্দটিকে সামনে আনতে চায় না। অধিনায়ক শান মাসুদ স্পষ্ট করেছেন, তাদের লক্ষ্য শুধুই ভালো ক্রিকেট খেলে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া। অন্যদিকে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও সিরিজের অতীত নয়, বরং পাঁচ দিনে ধারাবাহিক ক্রিকেট খেলাকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন। এই টেস্টে বড় আলোচনার জায়গা হয়ে উঠতে পারে দুই দলের পেস আক্রমণ। পাকিস্তানের শক্তি বরাবরই তাদের ফাস্ট বোলিং ইউনিট। শাহিন শাহ আফ্রিদি, মোহাম্মদ আব্বাসদের অভিজ্ঞতা ও নতুন বলের নিয়ন্ত্রণ সফরকারীদের বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে। তবে বাংলাদেশও এখন আর আগের মতো কেবল স্পিননির্ভর দল নয়। তাসকিন আহমেদ দীর্ঘ বিরতির পর টেস্ট দলে ফিরেছেন। যদিও নাহিদ রানা পুরোপুরি ফিট নন এবং ইবাদত হোসেনও সেরা ছন্দে ফেরার প্রক্রিয়ায় আছেন, তবু সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পেস বিভাগ বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মিরপুরের উইকেট নিয়েও আগ্রহ কম নেই। সাধারণত এই মাঠ ধীরে ধীরে স্পিন সহায়ক হয়ে ওঠে। তবে এবার উইকেটে ঘাস থাকার সম্ভাবনা থাকায় শুরুতে পেসাররা সুবিধা পেতে পারেন। সে কারণেই বাংলাদেশ তিন পেসার নিয়ে নামতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্পিন বিভাগে মেহেদী মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের বড় ভরসা বাবর আজম। সাম্প্রতিক সময়ে ভালো ছন্দে থাকা এই ব্যাটারকে ঘিরেই সফরকারীদের পরিকল্পনা থাকবে। এছাড়া অফ-স্পিনার সাজিদ খনও হতে পারেন বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে বাংলাদেশ দলে নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় আছেন তানজিদ তামিম। একাদশে সুযোগ পেলে তার স্বাভাবিক আক্রমণাত্মক ব্যাটিং দেখতেই চায় টিম ম্যানেজমেন্ট। আবহাওয়াও ম্যাচের বড় ফ্যাক্টর হতে পারে। পাঁচ দিনের টেস্টে অন্তত দুই দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে উইকেটের আচরণ ও সেশনভিত্তিক পরিকল্পনা দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সব মিলিয়ে, সাম্প্রতিক সাফল্যের আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, পাকিস্তান চাইবে নিজেদের পুরনো শক্তির পরিচয় ফিরিয়ে দিতে। তাই মিরপুর টেস্টে ব্যাট-বলের জমজমাট লড়াইয়ের প্রত্যাশা থাকছেই।