তিনি ২০০৯ সালের বিডিআর হত্যাকাণ্ড, ২০১৩-এর শাপলা চত্বর, ২০২১-এর আন্দোলন এবং ২০২৪-এর অভ্যুত্থানে শহীদদের কথা উল্লেখ করে খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক বলেন, আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখলাম সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে এ বছর স্থানীয় নির্বাচন দেওয়া সম্ভব নয়। আমাদের মনে হচ্ছে তারা টালবাহানা করে এই নির্বাচন ২০২৭ সালের ডিসেম্বরে নিতে চায়। বর্তমানে জেলা পরিষদ ও সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে অযোগ্য নেতাকর্মীদের মাধ্যমে লুটপাট ও চাঁদাবাজির সেক্টর বানানো হচ্ছে।
সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে সারজিস আলম বলেন, উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত করে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার যে অপচেষ্টা চলছে, তা জনগণের জন্য হিতে বিপরীত হবে। আমরা রাজপথে নামলে বলা হয় সরকারকে অস্থিতিশীল করছি, কিন্তু আমাদের রাজপথে নামতে বাধ্য করবেন না। এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের সব পর্যায়ের নির্বাচন দিতে হবে।
এনসিপির নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে তিনি জানান, ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক কারণে তারিখ কিছুটা পেছালেও আগামী ১০ মে’র মধ্যে উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে এনসিপি সমর্থিত প্রাথমিক প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা করা হবে। এছাড়া চলতি মাসেই সাতটি সিটি কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থীর নামও জানানো হবে। বর্তমানে ১১ দলীয় জোটে থাকলেও এনসিপি এককভাবে শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে প্রতিটি জায়গায় প্রার্থী দেবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া, এনসিপি নেতা আব্দুল হান্নান মাসউদ, কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি প্রমুখ।