শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
৩ টাকার কলমে স্বপ্ন: ‘ইকনো কামাল’-এর গল্প,ব্যবসা থেকে রাজনীতির উত্থান শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি: ব্যক্তিগত জীবনের বিতর্ক পেরিয়ে বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে ‘শান্তির খোঁজ’ প্লাস্টিক সার্জারি বিতর্কে মুখ খুললেন কেয়া পায়েল: “ভক্তরা মেনে নিতে পারেনি” দীর্ঘ অপেক্ষার পর দুই বাংলায় মুক্তি পাচ্ছে শবনম বুবলী অভিনীত ‘ফ্ল্যাশব্যাক’ অবরোধের মধ্যেও ইরানের ঘুরে দাঁড়ানো: ফ্লাইট চালু, তেল আয়ে উল্টো বৃদ্ধি হরমুজ সংকটের ছায়ায় নতুন বাণিজ্যপথ: ইউরোপমুখী বিকল্প করিডোরে জোর দিচ্ছে উপসাগরীয় অঞ্চল মধ্যপ্রাচ্য সংকট: তেলের দাম বেড়ে ১১১ ডলার, চাপে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনীতি কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক মিডফোর্ট হাসপালের হিসাব রক্ষক জাহিদুর রহিম খিলগাঁওয়ের সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেলের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ গণপূর্তের প্রকৌশলী ফজলুল হক মধু :দুদকের তদন্ত ধামাচাপা দিয়ে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়

পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে ১৫.৭৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর

দেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে ১৫ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই অর্থায়ন পিকেএসএফ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘রেকভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অফ ইনফর্মাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট অর্থাৎ অনানুষ্ঠানিক ক্ষেত্রের কর্মসংস্থান পুনরুদ্ধার এবং অগ্রগতি (রেইজ)’ প্রকল্পের অতিরিক্ত তহবিল হিসেবে যুক্ত হবে।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) পিকেএসএফ-এর কার্যালয়ে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফজলুল কাদের এবং বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০২২ সালে ২৫ কোটি মার্কিন ডলারের তহবিল নিয়ে যাত্রা শুরু হয় রেইজ প্রকল্পের।

প্রকল্পের মূল মেয়াদ ছিল ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত। নতুন অর্থায়নের মাধ্যমে বাজেট ২৮ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারে বৃদ্ধি পাবে এবং সময়সীমা সম্প্রসারিত হয়ে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত হবে। বিশ্বব্যাংকের অতিরিক্ত অর্থায়নের পর অবশিষ্ট অর্থ যোগান দেবে পিকেএসএফ ও তার সহযোগী সংস্থাসমূহ। ফলে ২০২২ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত রেইজ প্রকল্পের মোট বাজেট দাঁড়িয়েছে ৫৩ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬ হাজার ১০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ।
 

এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো বেকার তরুণ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরতদের আয় ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা। অতিরিক্ত অর্থায়নের ফলে প্রকল্পের পরিধি আরও বৃদ্ধি পাবে। ডিসেম্বর ২০৩০ পর্যন্ত প্রকল্পের আওতায় সরাসরি ৪ লাখের বেশি মানুষ এবং পরোক্ষভাবে আরও চার থেকে পাঁচগুণ মানুষ উপকৃত হবেন।

প্রকল্পের বর্ধিত অংশে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে চর, হাওর, জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও পার্বত্য অঞ্চলসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের তরুণদের জন্য।

অনানুষ্ঠানিক খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ‘হোম-বেজড চাইল্ড কেয়ার সেন্টার’ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

প্রকল্পের আওতায় তরুণদের বাজার-চাহিদাভিত্তিক কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি ‘ওস্তাদ-শাগরেদ’ মডেলে হাতে-কলমে কাজ শেখানোর মাধ্যমে তাদের বাস্তব দক্ষতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণদের উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করার ব্যবস্থা রয়েছে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে অর্থায়ন ও ব্যবসা সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।

এর ফলে তারা তাদের উদ্যোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানও সৃষ্টিতে সক্ষম হবেন।



Our Like Page