রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০২:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ডিসি সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সরকারের অঙ্গীকারকে স্বাগত জানিয়েছে এমএফসি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে একই পরিবারের চার প্রতিবন্ধীর মানবেতর জীবন কুতুবদিয়া দ্বীপ সংকটে: ভাঙনে হারাচ্ছে ভূমি, ‘সুপার ডাইক’ নির্মাণের জরুরি দাবি ৩ টাকার কলমে স্বপ্ন: ‘ইকনো কামাল’-এর গল্প,ব্যবসা থেকে রাজনীতির উত্থান শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি: ব্যক্তিগত জীবনের বিতর্ক পেরিয়ে বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে ‘শান্তির খোঁজ’ প্লাস্টিক সার্জারি বিতর্কে মুখ খুললেন কেয়া পায়েল: “ভক্তরা মেনে নিতে পারেনি” দীর্ঘ অপেক্ষার পর দুই বাংলায় মুক্তি পাচ্ছে শবনম বুবলী অভিনীত ‘ফ্ল্যাশব্যাক’ অবরোধের মধ্যেও ইরানের ঘুরে দাঁড়ানো: ফ্লাইট চালু, তেল আয়ে উল্টো বৃদ্ধি হরমুজ সংকটের ছায়ায় নতুন বাণিজ্যপথ: ইউরোপমুখী বিকল্প করিডোরে জোর দিচ্ছে উপসাগরীয় অঞ্চল

৮ তারিখের মধ্যে জাতিসংঘে চিঠি দিতে হবে, আমাদের কথাগুলো থাকতে হবে: জাবের

এই মাসের ৮ তারিখের মধ্যে শহীদ উসমান হাদির হত্যার তদন্তের জন্য জাতিসংঘের কাছে চিঠি পাঠাতে হবে বলে দাবি করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।

তিনি বলেছেন, কেবল চিঠি পাঠালেই হবে না, চিঠির মধ্যে আমরা যে বিষয়গুলো বলার চেষ্টা করছি, সেগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, প্রথমত সরকারকে ইউএনএইচসিআরকে অনুরোধ করতে হবে, যেন তারা শহীদ শরিফ উসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ, সত্যানুসন্ধান কমিটি দিয়ে তদন্ত পরিচালনা করে।

এই তদন্তের স্পষ্ট কার্যপরিধি থাকবে; যেখানে ঘটনার সত্যতা নির্ধারণ, দায়ী ব্যক্তি ও তাদের সহায়ক নেটওয়ার্ক শনাক্তকরণ এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে করণীয় সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। 

তিনি আরও বলেন, সরকারকে অনুরোধ করতে হবে যেন তদন্তে শুধু সরাসরি হামলাকারীদের নয়, বরং আড়ালে থাকা পরিকল্পনা, ষড়যন্ত্র, জড়িত থাকা বা সহযোগিতা করা সহায়তা প্রদান কিংবা আশ্রয়-প্রশ্রয়ও চিহ্নিত করা হয়-যা হত্যাকাণ্ড ও পরবর্তী পালিয়ে যাওয়াকে সম্ভব করেছে।

এসময় প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে আন্দোলনকারীদের জলকামানে উঠে যাওয়ার ঘটনাকে নাকচ করেন জাবের। তিনি বলেন, অথচ ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে আমরা উল্টো জনগণকে শান্ত করবার জন্য চেষ্টা করছিলাম।

তিনি বলেন, জনগণ যখন দেখেছে, জুমা এবং শান্তাকে রাস্তায় ফেলে মারা হচ্ছে, জনগণ কোনোভাবেই এটা মেনে নিতে পারেনি। যার কারণে ওইখানে ওই উদ্ভূত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর পুরো দায়ভার ওইখানে দায়িত্বরত পুলিশ প্রশাসন এবং সরকারকেই বহন করতে হবে।

তিনি বলেন, সরকার জনগণের ওপরে মুহূর্মুহূ সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে।



Our Like Page