মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শপথ নিয়েছেন নতুন মন্ত্রিপরিষদ।
নতুন মন্ত্রিপরিষদের কাছে তাদের প্রত্যাশা অনেক।
সংসদ ভবনের পূর্ব পাশে কথা হয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সাজিদ হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, আইনের শাসন ও নিরপেক্ষ বিচার দুর্নীতি রোধে প্রথম শর্ত হলো আইনের সমান প্রয়োগ।
সরকারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও ঘুষ সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে বলে মনে করে মিরপুর থেকে আসা হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন,
প্রতিটি সরকারি সেবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসলে মানুষের সঙ্গে কর্মকর্তাদের সরাসরি লেনদেন কমবে, যা দুর্নীতি হ্রাস করবে এতে করে সরকারের ইমেজ বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।
বিগত সময়ে ব্যাংকিং খাতে যে অরাজকতা ও অর্থ পাচারের ঘটনা ঘটেছে, তা রোধ করা নতুন সরকারের অন্যতম চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আরিফুর রহমান।
নতুন সরকারের কাছে আমাদের একটিই চাওয়া নতুন বাংলাদেশ যেন চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত হয়। সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে যাতে গণহারে হামলা-মামলা না হয়। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রত্যেক মানুষ যাতে তার মৌলিক অধিকার ফিরে পায় আমরা সেই বাংলাদেশ দেখতে চাই বলে উল্লেখ করে কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী কানিজ আফরোজ কামরিন।
নিজ নেতাকে ফুল দিতে টাঙ্গাইল থেকে এসেছেন রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, সরকারের কাছে প্রত্যাশা দেশটা যেন সুখে শান্তিতে থাকে। আমাদের মৌলিক অধিকারটা নিশ্চিত হয়।
তিনি আরও বলেন, ৩০ বছর পরে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখছি। সুতরাং এই নতুন মন্ত্রিসভার পরিষদের কাছে আমাদের অনেক আকাঙ্খা। তারা যেন দুর্নীতিমুক্ত, শোষণমুক্ত সুন্দর সমাজ আমাদের উপহার দেয়।
একটি দেশের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন সেই উন্নয়নের প্রতিটি পয়সা সঠিক জায়গায় ব্যয় হয়। দুর্নীতি কেবল অর্থ চুরি নয়, এটি একটি জাতির ভবিষ্যৎ চুরি করা। নতুন সরকার কেবল প্রতিশ্রুতি নয়, বরং দৃশ্যমান পদক্ষেপের মাধ্যমে একটি সুন্দর, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে এমনটাই প্রত্যাশা তাদের কাছে।