শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলামের সফলতা বরিশালে ডিসির বিরুদ্ধে নির্বাচন তহবিল আত্মসাতের অভিযোগ, প্রশাসনে অসন্তোষ ত্বকের জেল্লা বাড়তে যা খাবেন নির্বাচনে পরাজয়, রাজনীতি ছাড়লেন রাজ চক্রবর্তী দুবাইয়ে গালা নাইটে মঞ্চ মাতাবেন জায়েদ খান-ফারিয়া সিলেটে পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে হাসপাতালে গৃহবধূর লাশ রেখে পালালেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন খিচুড়ি কিনতে গিয়ে নিখোঁজ স্কুলছাত্র কক্সবাজার থেকে উদ্ধার মিরপুরে আবারও বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্ট দ্বৈরথ। প্রায় দেড় বছর পর ঘরের মাঠে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে সেই পাকিস্তান। যাদের মাটিতে ইতিহাস গড়ে সিরিজ জিতেছিল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। তাই শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাওয়া ঢাকা টেস্ট ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি উত্তেজনা কাজ করছে দুই শিবিরেই। শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগামী কাল সকাল ১০টায় শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। দুই দলই আত্মবিশ্বাসী অবস্থায় মাঠে নামছে। পাকিস্তান অবশ্য ‘প্রতিশোধ’ শব্দটিকে সামনে আনতে চায় না। অধিনায়ক শান মাসুদ স্পষ্ট করেছেন, তাদের লক্ষ্য শুধুই ভালো ক্রিকেট খেলে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া। অন্যদিকে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও সিরিজের অতীত নয়, বরং পাঁচ দিনে ধারাবাহিক ক্রিকেট খেলাকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন। এই টেস্টে বড় আলোচনার জায়গা হয়ে উঠতে পারে দুই দলের পেস আক্রমণ। পাকিস্তানের শক্তি বরাবরই তাদের ফাস্ট বোলিং ইউনিট। শাহিন শাহ আফ্রিদি, মোহাম্মদ আব্বাসদের অভিজ্ঞতা ও নতুন বলের নিয়ন্ত্রণ সফরকারীদের বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে। তবে বাংলাদেশও এখন আর আগের মতো কেবল স্পিননির্ভর দল নয়। তাসকিন আহমেদ দীর্ঘ বিরতির পর টেস্ট দলে ফিরেছেন। যদিও নাহিদ রানা পুরোপুরি ফিট নন এবং ইবাদত হোসেনও সেরা ছন্দে ফেরার প্রক্রিয়ায় আছেন, তবু সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পেস বিভাগ বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মিরপুরের উইকেট নিয়েও আগ্রহ কম নেই। সাধারণত এই মাঠ ধীরে ধীরে স্পিন সহায়ক হয়ে ওঠে। তবে এবার উইকেটে ঘাস থাকার সম্ভাবনা থাকায় শুরুতে পেসাররা সুবিধা পেতে পারেন। সে কারণেই বাংলাদেশ তিন পেসার নিয়ে নামতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্পিন বিভাগে মেহেদী মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের বড় ভরসা বাবর আজম। সাম্প্রতিক সময়ে ভালো ছন্দে থাকা এই ব্যাটারকে ঘিরেই সফরকারীদের পরিকল্পনা থাকবে। এছাড়া অফ-স্পিনার সাজিদ খনও হতে পারেন বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে বাংলাদেশ দলে নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় আছেন তানজিদ তামিম। একাদশে সুযোগ পেলে তার স্বাভাবিক আক্রমণাত্মক ব্যাটিং দেখতেই চায় টিম ম্যানেজমেন্ট। আবহাওয়াও ম্যাচের বড় ফ্যাক্টর হতে পারে। পাঁচ দিনের টেস্টে অন্তত দুই দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে উইকেটের আচরণ ও সেশনভিত্তিক পরিকল্পনা দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সব মিলিয়ে, সাম্প্রতিক সাফল্যের আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, পাকিস্তান চাইবে নিজেদের পুরনো শক্তির পরিচয় ফিরিয়ে দিতে। তাই মিরপুর টেস্টে ব্যাট-বলের জমজমাট লড়াইয়ের প্রত্যাশা থাকছেই। ঢাকা টেস্টে নতুন পরীক্ষা বাংলাদেশের, প্রস্তুত পাকিস্তানও

এসএমএসে যাবে টিকার তথ্য: ডিএনসিসি প্রশাসক

টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে মাঠপর্যায়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের পাশাপাশি বাসা-বাড়িতে প্রচারণা জোরদার করা হচ্ছে। এছাড়া মোবাইলফোনে এসএমএস ও পুশ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে অভিভাবকদের কাছে টিকার তথ্য পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

সমন্বিত এসব উদ্যোগের ফলে কোনো শিশুই টিকার বাইরে থাকবে না বলেছেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। 

বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে ডিএনসিসির মিলনায়তনে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই), ইউনিসেফ বাংলাদেশ এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের যৌথ আয়োজনে ‘বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচি ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অংশীজনদের সমন্বিত কার্যক্রমের চ্যালেঞ্জ ও করণীয় এবং ২০২৬ সালের হামের প্রকোপ মোকাবিলা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, নগরবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাও সিটি করপোরেশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাই স্বাস্থ্যসেবা ও টিকাদান কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে সরকারি-বেসরকারি সব অংশীজনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

 

সভায় ইউনিসেফ প্রতিনিধি ড. মালালাই আহমেদজাই বলেন, শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনতে আমাদের সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

আলোচনা সভায় জানানো হয়, সরকারের টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে ইতোমধ্যে পোলিও ও ধনুষ্টংকার নির্মূল, হেপাটাইটিস নিয়ন্ত্রণ এবং সম্প্রতি ৯৩ শতাংশ হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) ও ৯৭ শতাংশ টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) টিকার কভারেজ অর্জিত হয়েছে।

বর্তমানে ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় নয়টি অ্যান্টিজেনের মাধ্যমে ১২টি রোগের বিরুদ্ধে টিকা দেওয়া হচ্ছে। 

ইপিআই কাভারেজ ইভালুয়েশন সার্ভে ২০২৩ অনুযায়ী, দেশের নগর এলাকায় টিকাদান কভারেজ ৭৯ শতাংশ। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে কভারেজ ৭৫ দশমিক ৪ শতাংশ, যা ২০১৯ সালের তুলনায় ১ দশমিক ২ শতাংশ বেশি।
সভায় ২০২৬ সালের চলমান হাম-রুবেলা প্রাদুর্ভাবের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৬ মে ২০২৬ পর্যন্ত দেশে ৪৪ হাজার ২৬০ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী, ৬ হাজার ৯৯ জন ল্যাব-নিশ্চিত হাম রোগী এবং ২৬৮ জন সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ জেলায় হাম সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতিকে জাতীয় পর্যায়ে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। আক্রান্তদের বড় অংশই শিশু, বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

সভায় আরও জানানো হয়, গত ৫ এপ্রিল থেকে ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লক্ষ্য করে জরুরি এমআর (হাম-রুবেলা) টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। এছাড়া ২০ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকাতেও এমআর ক্যাম্পেইন পরিচালিত হচ্ছে।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ সরকার টিকাদান কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে টিকাদান কার্যক্রমে বাংলাদেশের সাফল্য বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। কার্যকর টিকাদানের মাধ্যমে শিশু ও নারীদের মৃত্যু ও পঙ্গুত্ব প্রতিরোধে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম, ইউনিসেফের ইমিউনাইজেশন ম্যানেজার ড. রিয়াদ মাহমুদ এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. নিজাম উদ্দীন আহমেদ।

সভা সঞ্চালনা করেন ডা. মাহমুদা আলী এবং সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী।



Our Like Page

মিরপুরে আবারও বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্ট দ্বৈরথ। প্রায় দেড় বছর পর ঘরের মাঠে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে সেই পাকিস্তান। যাদের মাটিতে ইতিহাস গড়ে সিরিজ জিতেছিল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। তাই শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাওয়া ঢাকা টেস্ট ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি উত্তেজনা কাজ করছে দুই শিবিরেই। শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগামী কাল সকাল ১০টায় শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। দুই দলই আত্মবিশ্বাসী অবস্থায় মাঠে নামছে। পাকিস্তান অবশ্য ‘প্রতিশোধ’ শব্দটিকে সামনে আনতে চায় না। অধিনায়ক শান মাসুদ স্পষ্ট করেছেন, তাদের লক্ষ্য শুধুই ভালো ক্রিকেট খেলে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া। অন্যদিকে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও সিরিজের অতীত নয়, বরং পাঁচ দিনে ধারাবাহিক ক্রিকেট খেলাকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন। এই টেস্টে বড় আলোচনার জায়গা হয়ে উঠতে পারে দুই দলের পেস আক্রমণ। পাকিস্তানের শক্তি বরাবরই তাদের ফাস্ট বোলিং ইউনিট। শাহিন শাহ আফ্রিদি, মোহাম্মদ আব্বাসদের অভিজ্ঞতা ও নতুন বলের নিয়ন্ত্রণ সফরকারীদের বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে। তবে বাংলাদেশও এখন আর আগের মতো কেবল স্পিননির্ভর দল নয়। তাসকিন আহমেদ দীর্ঘ বিরতির পর টেস্ট দলে ফিরেছেন। যদিও নাহিদ রানা পুরোপুরি ফিট নন এবং ইবাদত হোসেনও সেরা ছন্দে ফেরার প্রক্রিয়ায় আছেন, তবু সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের পেস বিভাগ বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মিরপুরের উইকেট নিয়েও আগ্রহ কম নেই। সাধারণত এই মাঠ ধীরে ধীরে স্পিন সহায়ক হয়ে ওঠে। তবে এবার উইকেটে ঘাস থাকার সম্ভাবনা থাকায় শুরুতে পেসাররা সুবিধা পেতে পারেন। সে কারণেই বাংলাদেশ তিন পেসার নিয়ে নামতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্পিন বিভাগে মেহেদী মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের বড় ভরসা বাবর আজম। সাম্প্রতিক সময়ে ভালো ছন্দে থাকা এই ব্যাটারকে ঘিরেই সফরকারীদের পরিকল্পনা থাকবে। এছাড়া অফ-স্পিনার সাজিদ খনও হতে পারেন বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে বাংলাদেশ দলে নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় আছেন তানজিদ তামিম। একাদশে সুযোগ পেলে তার স্বাভাবিক আক্রমণাত্মক ব্যাটিং দেখতেই চায় টিম ম্যানেজমেন্ট। আবহাওয়াও ম্যাচের বড় ফ্যাক্টর হতে পারে। পাঁচ দিনের টেস্টে অন্তত দুই দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে উইকেটের আচরণ ও সেশনভিত্তিক পরিকল্পনা দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সব মিলিয়ে, সাম্প্রতিক সাফল্যের আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, পাকিস্তান চাইবে নিজেদের পুরনো শক্তির পরিচয় ফিরিয়ে দিতে। তাই মিরপুর টেস্টে ব্যাট-বলের জমজমাট লড়াইয়ের প্রত্যাশা থাকছেই।