বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তানের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সম্পর্কের কথা তুলে ধরে তিনি দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের দ্বিপাক্ষিক পরিমণ্ডলে, বিশেষ করে বাণিজ্য, সংযোগ, কর্মসংস্থান, সংস্কৃতি, পর্যটন এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সম্ভাবনা ও সুযোগগুলোকে ব্যাপকভাবে কাজে লাগানোর জন্য আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
তিনি সামগ্রিক দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় ও গভীর করার লক্ষ্যে বাংলাদেশে একটি উজবেক কূটনৈতিক মিশন খোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক সফর বিনিময়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উজবেকিস্তানের রাষ্ট্রপতি শাভকাত মির্জিয়োয়েভকে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
উজবেকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী জামশিদ খোদজায়েভ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে গতিশীল ও ফলপ্রসূ করতে বাংলাদেশের সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য তার সরকারের প্রস্তুতির কথা ব্যক্ত করেন। তিনি বাণিজ্য, কৃষি ও পর্যটন খাতে অমীমাংসিত থাকা দ্বিপাক্ষিক চুক্তিগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। বস্ত্র ও ওষুধ খাতে বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করে তিনি বাংলাদেশের মন্ত্রীকে যত দ্রুত সম্ভব ব্যবসা ও বিনিয়োগের সুযোগ অন্বেষণের জন্য একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল পাঠানোর আশ্বাস দেন।
আগামী দিনে বাংলাদেশ-উজবেকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে বৈঠকটি শেষ হয়।