সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন

কাল সকালে আশা ভোঁসলেকে শেষ শ্রদ্ধা, বিকেলে শেষকৃত্য

কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আশা ভোঁসলের প্রয়াণে ভারতের সঙ্গীত অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোক। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে ৯২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি।

জানা গেছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ায় শনিবার তাকে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার সকাল থেকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং এক পর্যায়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

আগামীকাল সকাল ১১টায় লোয়ার পারেলের কাসা গ্র্যান্ডে সবাই এসে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। এখানেই তিনি থাকতেন।
এরপর বিকেল ৪টায় শিবাজি পার্কে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে।’ 

এর আগে শনিবার গায়িকার নাতনির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল, ‘আমার ঠাকুমা আশা ভোঁসলে দুর্বলতা এবং বুকে সংক্রমণের কারণে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। আমরা আপনাদের সকলের কাছে অনুরোধ করছি আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য। চিকিৎসা চলছে এবং আমরা আশা করি সব ঠিক হয়ে যাবে। আমরা আপনাদের আপডেট দিতে থাকব।’

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ শারীরিক অস্বস্তি অনুভব করেন এই শিল্পী। পরে হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি।

উল্লেখ্য, আশা ভোঁসলে প্রয়াত কিংবদন্তি লতা মঙ্গেশকরের ছোট বোন। তিনি বিভিন্ন ভাষায় ১২ হাজারেরও বেশি গান রেকর্ড করেছেন। তার কণ্ঠে জীবন্ত হয়ে উঠেছে পদ্মিনী, বৈজয়ন্তীমালা, মীনা কুমারী, মধুবালা, জিনাত আমান, কাজল ও উর্মিলা মাতন্ডকরের মতো অসংখ্য তারকার চরিত্র।

‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে জো দিল কো’, ‘অভি না জাও ছোড়কার’, ‘ইন্তাহা হো গায়ি ইন্তেজার কি’- এমন বহু জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন তিনি। সঙ্গীতে অসামান্য অবদানের জন্য দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পদ্মবিভূষণেও ভূষিত হন এই শিল্পী।

দীর্ঘ সংগীতজীবনের শেষে ২০২৩ সালে দুবাইয়ে নিজের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ কনসার্টে শেষবারের মতো মঞ্চে পারফর্ম করেছিলেন আশা ভোঁসলে। তার মৃত্যুতে অপূরণীয় ক্ষতি হলো ভারতীয় সঙ্গীত জগ



Our Like Page