একজন বাস স্টাফ তাজুল বলেন, তাদের ঈদ কাটে বাসের ভেতরেই। পরিবারকে সময় দিতে না পারলেও যাত্রীদের হাসিমুখই যেন তাদের জন্য হয়ে ওঠে ঈদের আনন্দ।
একইভাবে সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দায়িত্ব পালন করেন ট্রাফিক পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। কাকরাইল এলাকায় দায়িত্বরত এক ট্রাফিক সদস্য জানান, জনগণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান দায়িত্ব-এই দায়িত্ব থেকেই তারা ঈদের দিনেও ডিউটিতে থাকেন।
কমলাপুর রেলওয়ে থানার এক কর্মকর্তা বলেন, চাকরির কারণে অনেক কিছুই ত্যাগ করতে হয়। শুরুতে কষ্ট লাগলেও এখন দায়িত্বই হয়ে উঠেছে বড়।
এছাড়া ব্যাংক ও এটিএম বুথের নিরাপত্তাকর্মীরাও ঈদের দিন দায়িত্বে থাকেন নিরবচ্ছিন্নভাবে। মতিঝিলের এক নিরাপত্তাকর্মী জানান, ছুটির সময়েই নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকে বেশি, তাই তাদের সতর্ক থাকতে হয় সবসময়।
অন্যদিকে, জীবিকার তাগিদে রিকশাচালক, সিএনজি চালক ও দিনমজুরদের অনেকেই ঈদের দিনও কাজ করেন। তাদের কাছে ঈদ মানে বাড়তি আয়ের সুযোগ। এক সিএনজি চালক বলেন, একদিন কাজ না করলে সংসার চলে না, তাই ঈদেও কাজ করতে হয়।
পরিবার থেকে দূরে থেকেও দায়িত্ব পালন করা এই মানুষগুলোর ত্যাগেই নির্বিঘ্ন হয় সবার ঈদযাত্রা ও আনন্দ। সমাজের এই নীরব যোদ্ধারাই আসলে ঈদের সময়ের প্রকৃত নায়ক-যাদের অবদান অনেক সময় চোখে পড়ে না, কিন্তু অনুভব করা যায় প্রতিটি মুহূর্তে।