শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
৩ টাকার কলমে স্বপ্ন: ‘ইকনো কামাল’-এর গল্প,ব্যবসা থেকে রাজনীতির উত্থান শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি: ব্যক্তিগত জীবনের বিতর্ক পেরিয়ে বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে ‘শান্তির খোঁজ’ প্লাস্টিক সার্জারি বিতর্কে মুখ খুললেন কেয়া পায়েল: “ভক্তরা মেনে নিতে পারেনি” দীর্ঘ অপেক্ষার পর দুই বাংলায় মুক্তি পাচ্ছে শবনম বুবলী অভিনীত ‘ফ্ল্যাশব্যাক’ অবরোধের মধ্যেও ইরানের ঘুরে দাঁড়ানো: ফ্লাইট চালু, তেল আয়ে উল্টো বৃদ্ধি হরমুজ সংকটের ছায়ায় নতুন বাণিজ্যপথ: ইউরোপমুখী বিকল্প করিডোরে জোর দিচ্ছে উপসাগরীয় অঞ্চল মধ্যপ্রাচ্য সংকট: তেলের দাম বেড়ে ১১১ ডলার, চাপে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনীতি কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক মিডফোর্ট হাসপালের হিসাব রক্ষক জাহিদুর রহিম খিলগাঁওয়ের সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেলের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ গণপূর্তের প্রকৌশলী ফজলুল হক মধু :দুদকের তদন্ত ধামাচাপা দিয়ে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়

কমলাপুরে কমেছে ভিড়, সময়মতো ছাড়ছে ট্রেন

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে কয়েকদিনের তীব্র ভিড়ের পর রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে এখন স্বস্তির চিত্র দেখা যাচ্ছে। যাত্রীদের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে, ট্রেনও ছেড়ে যাচ্ছে নির্ধারিত সময়েই।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সরেজমিনে দেখা যায়, কয়েকদিন আগেও যেখানে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিল, সেখানে এখন অনেকটাই ফাঁকা পরিবেশ। ট্রেনের ভেতরে বসার জায়গা রয়েছে, নেই আগের মতো গাদাগাদি বা বিশৃঙ্খলা।

এমনকি ছাদে যাত্রী ওঠার ঘটনাও দেখা যাচ্ছে না। 

ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক এ বি এম কামরুজ্জামান জানান, আজ মোট ৫৪টি ট্রেন চলাচলের কথা রয়েছে, যার মধ্যে ৪৩টি আন্তঃনগর ট্রেন, আর সকাল পর্যন্ত ২৫টি ট্রেন ছেড়ে গেছে নির্ধারিত সময়েই  ।

তিনি আরও জানান, বগুড়ার সান্তাহার এলাকায় সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার কারণে গত দুইদিন কিছুটা শিডিউল বিপর্যয় হয়েছিল। তবে সেটি এখন কাটিয়ে ওঠা গেছে।

টিকিট বিক্রি না হওয়ায় আজ হিমসাগর এক্সপ্রেসসহ কুড়িগ্রাম ও বেনাপোলগামী তিনটি ট্রেন বন্ধ রাখা হয়েছে। 

রেলওয়ে সূত্র বলছে, ১৮ ও ১৯ মার্চ ছিল ঈদযাত্রার সবচেয়ে চাপের সময়। এখন যাত্রী সংখ্যা কমে যাওয়ায় যাত্রীরা অনেক স্বস্তিতে ভ্রমণ করতে পারছেন।

স্টেশনে দায়িত্বরত বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশের এসআই আজহারুল ইসলাম জানান, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হয়েছে।

ছাদে যাত্রী ওঠা ঠেকাতে গত কয়েকদিন বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, যা এখন আর প্রয়োজন হচ্ছে না। 

যাত্রীদের মধ্যেও স্বস্তির অনুভূতি স্পষ্ট। সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসের যাত্রী শরিফুল ইসলাম বলেন, দুইদিন আগে এলে হয়তো উঠতেই পারতাম না। আজ খুব আরামেই সিটে বসে যেতে পারছি।

খুলনাগামী নকশী কাঁথা এক্সপ্রেসের যাত্রী রুমানা আক্তার বলেন, আগের মতো ভিড় থাকলে বাচ্চা নিয়ে অনেক কষ্ট হতো।

আজ পরিবেশ অনেক ভালো লাগছে। 

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদযাত্রার মূল চাপ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। ফলে শেষ মুহূর্তের যাত্রীরা স্বস্তিতে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন।



Our Like Page