শুক্রবার (২০ মার্চ) সরেজমিনে দেখা যায়, কয়েকদিন আগেও যেখানে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিল, সেখানে এখন অনেকটাই ফাঁকা পরিবেশ। ট্রেনের ভেতরে বসার জায়গা রয়েছে, নেই আগের মতো গাদাগাদি বা বিশৃঙ্খলা।
ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক এ বি এম কামরুজ্জামান জানান, আজ মোট ৫৪টি ট্রেন চলাচলের কথা রয়েছে, যার মধ্যে ৪৩টি আন্তঃনগর ট্রেন, আর সকাল পর্যন্ত ২৫টি ট্রেন ছেড়ে গেছে নির্ধারিত সময়েই ।
তিনি আরও জানান, বগুড়ার সান্তাহার এলাকায় সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার কারণে গত দুইদিন কিছুটা শিডিউল বিপর্যয় হয়েছিল। তবে সেটি এখন কাটিয়ে ওঠা গেছে।
রেলওয়ে সূত্র বলছে, ১৮ ও ১৯ মার্চ ছিল ঈদযাত্রার সবচেয়ে চাপের সময়। এখন যাত্রী সংখ্যা কমে যাওয়ায় যাত্রীরা অনেক স্বস্তিতে ভ্রমণ করতে পারছেন।
স্টেশনে দায়িত্বরত বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশের এসআই আজহারুল ইসলাম জানান, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হয়েছে।
যাত্রীদের মধ্যেও স্বস্তির অনুভূতি স্পষ্ট। সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসের যাত্রী শরিফুল ইসলাম বলেন, দুইদিন আগে এলে হয়তো উঠতেই পারতাম না। আজ খুব আরামেই সিটে বসে যেতে পারছি।
খুলনাগামী নকশী কাঁথা এক্সপ্রেসের যাত্রী রুমানা আক্তার বলেন, আগের মতো ভিড় থাকলে বাচ্চা নিয়ে অনেক কষ্ট হতো।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদযাত্রার মূল চাপ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। ফলে শেষ মুহূর্তের যাত্রীরা স্বস্তিতে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন।