তিনি বলেন, গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার কোনো বিকল্প আপাতত নেই। আমাদেরকে সেদিকেই ফিরে যেতে হবে। যদিও এই পরিবেশ ফিরিয়ে আনা খুব সহজ বিষয় নয়, অনেক চ্যালেঞ্জ আছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিগত সময়ে বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক সব স্ট্রাকচারই (কাঠামো) ধ্বংস হয়ে গেছে। বিচার বিভাগ থেকে শুরু করে সর্বত্র ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে।
সংসদে ১১ দলীয় ঐক্যজোট কার্যকর ও গঠনমূলক বিরোধী দল হিসেবে কাজ করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুনিয়ার সভ্য দেশগুলো যেভাবে দায়িত্ব পালন করে, আমরা সংসদে সেই কালচার দেখতে চাই। বিরোধী দল যেন সংসদে কথা বলার অধিকার পায়, সেটা আমরা আশা করব।
জুলাই বিপ্লবের কথা স্মরণ করে জামায়াত আমির বলেন, পুরো জাতি কার্যত জুলাইয়ে যুদ্ধ করেছে। জাতির এই অবদানকে স্মরণ রেখে যদি সংসদ পরিচালিত হয়, তবেই তা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবে।
ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচনের ফলাফলে পূর্ণ প্রতিফলন হোক বা না হোক, বিরোধী দল হিসেবে আমাদের অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালনে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সুদিন-দুর্দিন যাই আসুক, আমরা দেশবাসীর সঙ্গে থাকব।
মঙ্গলবার থেকে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন ধারার সুস্থ রাজনীতির বিকাশ ঘটবে এবং মানুষের জীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে আসবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের ও মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মা’ছুম, রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল, মো. শাহজাহান, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন প্রমুখ।