বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
৬০ কোটির জালিয়াতির অভিযোগের মাঝেই রহস্যময় পোস্ট শিল্পার ভাইরাল কার্ডে ফাঁস বিয়ের দিন? মুখ খুলছেন না রাশমিকা-বিজয় ধানুশের সঙ্গে বিয়ের গুজব, রসিকতায় মেতেছেন ম্রুণাল ছিলেন একাই একশ, বঞ্চিত-নিপীড়িত মানুষের নায়ক মান্নাকে হারানোর ১৮ বছর শুধু পানি পরিশোধনেই নয়, ফিটকিরির আরও যেসব ব্যবহার রমজানে ক্রয়মূল্যে পণ্য বিক্রি, শাহ আলমের সঙ্গে যোগ হলেন আরও এক সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফর নিয়ে ইতিবাচক বিসিসিআই নিসাঙ্কার ব্যাটে অস্ট্রেলিয়া বধ, সুপার এইটে শ্রীলঙ্কা রমজানে ইফতারের জন্য ম্যাচে বিরতি দেবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে ১৫.৭৫ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর

রমজানে ইফতারের জন্য ম্যাচে বিরতি দেবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে আগের মতোই বিশেষ ব্যবস্থা চালু রাখছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ও ইংলিশ ফুটবল লিগ। মুসলিম খেলোয়াড়দের ইফতারির সুযোগ দিতে ম্যাচ চলাকালীন সংক্ষিপ্ত বিরতি রাখা হবে।

রমজানে ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ থেকে বিরত থাকেন মুসলমানরা। যুক্তরাজ্যে এই সময়ে সূর্যাস্ত হয় বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে।

ফলে শনিবার সন্ধ্যা ৫টা ৩০ মিনিট ও রোববার বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া ম্যাচগুলোতে বিরতির সম্ভাবনা রয়েছে। 

ক্লাব অধিনায়ক ও ম্যাচ কর্মকর্তারা খেলার স্বাভাবিক বিরতির মুহূর্তে রোজাদার খেলোয়াড় বা কর্মকর্তাদের ইফতারের সুযোগ দেবেন। আগে থেকেই দুই দল ও ম্যাচ অফিসিয়ালদের মধ্যে আলোচনা করে সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হবে।

তবে চলমান খেলার মাঝখানে খেলা থামানো হবে না।

গোলকিক, ফ্রি-কিক বা থ্রো-ইনের মতো সুবিধাজনক মুহূর্তে বিরতি দেওয়া হবে। 

প্রিমিয়ার লিগে রোজাদার খেলোয়াড়দের জন্য প্রথম আনুষ্ঠানিক বিরতি দেওয়া হয়েছিল ২০২১ সালের এপ্রিলে লেস্টার সিটি ও ক্রিস্টাল প্যালেসের ম্যাচে। তখন গোলকিকের সময় খেলা থামিয়ে লেস্টারের ওয়েসলি ফোফানা ও প্যালেসের শেইখু কুয়াতেকে পানি ও এনার্জি জেল নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

রমজানে সিয়াম পালন ইসলাম ধর্মের পাঁচটি স্তম্ভের একটি।

বর্তমানে প্রিমিয়ার লিগে খেলছেন এমন মুসলিম ফুটবলারদের মধ্যে রয়েছেন মোহাম্মদ সালাহ, উইলিয়াম সালিবা, রায়ান আইত-নুরি ও আমাদ দিয়াল্লোসহ আরও অনেকে। 

২০২৩ সালে বিবিসি স্পোর্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাবেক এভারটন মিডফিল্ডার আবদুলাই দুকুরে বলেন, ‘প্রিমিয়ার লিগে আপনি নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস মেনে চলার পূর্ণ স্বাধীনতা পান। তারা কখনোই আপনার বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কিছু করবে না, যা সত্যিই প্রশংসনীয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি প্রতিদিন রোজা রাখি, কোনো দিন বাদ দিই না। এটা এখন আমার জন্য স্বাভাবিক ও সহজ হয়ে গেছে।

রমজানে অনুশীলন আগের মতোই থাকে। অ্যাওয়ে ম্যাচে গেলে অন্যদের চেয়ে পরে খেতে হতে পারে, তখন শেফ আমাদের জন্য আলাদা করে খাবার প্রস্তুত করেন। হালাল খাবারের ব্যবস্থাও থাকে, তাই কোনো সমস্যা হয় না।’ 

এর আগে ২০২২ সালে লিভারপুলের সাবেক তারকা সাদিও মানে জানিয়েছিলেন, রমজানে মুসলিম খেলোয়াড়দের সহায়তায় অনুশীলনের সময়সূচি সামঞ্জস্য করেছিল ক্লাব।



Our Like Page