মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে অপর এক প্রশ্নের উত্তরে ইভার্স ইজাবস বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে আমরা বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি।
প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস বলেন, ইইউ স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা প্রায় প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার শহর, নগর ও গ্রামে উপস্থিত থাকবেন। সারা দিনজুড়ে তাদের করা পর্যবেক্ষণ ও প্রতিবেদন এই ঐতিহাসিক নির্বাচনের নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশজুড়ে আমাদের ২০০ জন পর্যবেক্ষক নিয়োজিত রয়েছেন, যার মাধ্যমে আমরা এই ঐতিহাসিক নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অবদান রাখছি।
ইইউ নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ মিশন জানিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক নিয়োজিত করেছে, যারা সব প্রশাসনিক জেলায় নির্বাচনের দিন চলমান কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন। এই স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা ভোটকেন্দ্র খোলা, ভোটগ্রহণ, ভোটকেন্দ্র বন্ধ, ব্যালট গণনা এবং ফলাফল তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবেন।
স্বল্পমেয়াদী পর্যবেক্ষকদের এই নিয়োগ মূলত আগের ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদী পর্যবেক্ষকের কাজেরই একটি ধারাবাহিকতা, যারা জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্যদের একটি প্রতিনিধিদল মিশনটিকে আরও জোরদার করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কূটনৈতিক মিশন থেকে স্থানীয়ভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ৩৫ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক, পাশাপাশি কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ডের পর্যবেক্ষকরাও মিশনে যোগ দিচ্ছেন। পূর্ণ সক্ষমতায় এই মিশনে ২০০ জনেরও বেশি পর্যবেক্ষক থাকবেন, যারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য রাষ্ট্রের পাশাপাশি কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড থেকে আসা।
আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে একটি বিবৃতির মাধ্যমে ইইউ মিশন তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে। সম্পূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর ভবিষ্যৎ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার জন্য সুপারিশসহ একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে। উভয় প্রতিবেদনই সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং মিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।