সাইট’র তথ্য অনুসারে আইএস জানিয়েছে, একজন যোদ্ধা শিয়া সম্প্রদায়ের মসজিদের ভেতরের গেটে পৌঁছানোর পর মুসল্লিদের লক্ষ্য করে তার বিস্ফোরক ভরে রাখা ভেস্টের বিস্ফোরণ ঘটান। এতে অনেকে হতাহত হন।
তিনি বলেন, আহতদের ইসলামাবাদ ও সংলগ্ন রাওয়ালপিন্ডি শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও জানান তিনি।
শুক্রবার জুমার নামাজের কারণে মসজিদে মুসল্লিদের উপচে পড়া ভিড় ছিল, তখনই এ বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
৫২ বছর বয়সী মুসল্লি মুহাম্মদ কাজিম বলেন, নামাজ শুরু হওয়ার পরপরই ব্যাপক শক্তিশালী বিস্ফোরণ পুরো ভবনকে তছনছ করে দেয়।
তিনি বলেন, নামাজের প্রথম রুকুর সময় আমরা গুলির শব্দ শুনতে পাই। রুকুতে থাকা অবস্থাতেই বিস্ফোরণটি ঘটে।
২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরের পর এটিই পাকিস্তানের রাজধানীতে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা। ওই সময় পাঁচ তারকা ম্যারিয়ট হোটেলে আত্মঘাতী ট্রাক বোমা হামলায় ৬০ জন নিহত হয়েছিলেন। ওই হামলায় হোটেলটির একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
সূত্র : এএফপি