তিনি বলেছেন, কেবল চিঠি পাঠালেই হবে না, চিঠির মধ্যে আমরা যে বিষয়গুলো বলার চেষ্টা করছি, সেগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ কথা জানান।
তিনি বলেন, প্রথমত সরকারকে ইউএনএইচসিআরকে অনুরোধ করতে হবে, যেন তারা শহীদ শরিফ উসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ, সত্যানুসন্ধান কমিটি দিয়ে তদন্ত পরিচালনা করে।
তিনি আরও বলেন, সরকারকে অনুরোধ করতে হবে যেন তদন্তে শুধু সরাসরি হামলাকারীদের নয়, বরং আড়ালে থাকা পরিকল্পনা, ষড়যন্ত্র, জড়িত থাকা বা সহযোগিতা করা সহায়তা প্রদান কিংবা আশ্রয়-প্রশ্রয়ও চিহ্নিত করা হয়-যা হত্যাকাণ্ড ও পরবর্তী পালিয়ে যাওয়াকে সম্ভব করেছে।
এসময় প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে আন্দোলনকারীদের জলকামানে উঠে যাওয়ার ঘটনাকে নাকচ করেন জাবের। তিনি বলেন, অথচ ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে যে আমরা উল্টো জনগণকে শান্ত করবার জন্য চেষ্টা করছিলাম।
তিনি বলেন, জনগণ যখন দেখেছে, জুমা এবং শান্তাকে রাস্তায় ফেলে মারা হচ্ছে, জনগণ কোনোভাবেই এটা মেনে নিতে পারেনি। যার কারণে ওইখানে ওই উদ্ভূত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর পুরো দায়ভার ওইখানে দায়িত্বরত পুলিশ প্রশাসন এবং সরকারকেই বহন করতে হবে।
তিনি বলেন, সরকার জনগণের ওপরে মুহূর্মুহূ সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে।