শনিবার আতলেতিকোর মাঠে শুরুটা ভালো ছিল স্বাগতিকদেরই। বিরতির ছয় মিনিট আগে জিউলিয়ানো সিমিওনের গোলে এগিয়ে যায় তারা।
তিন মিনিট পরই মার্কাস রাশফোর্ড গোল করে সমতায় ফেরান বার্সেলোনাকে। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে নিকো গনসালেস লাল কার্ড দেখলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আতলেতিকো, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
শেষ দিকে বদলি হিসেবে নামা রবার্ট লেভানদোভস্কি তিন মিনিট বাকি থাকতে ভাগ্য সহায়তায় পাওয়া রিবাউন্ডে গোল করে বার্সেলোনাকে এগিয়ে দেন।
এই জয়ে বার্সেলোনা পয়েন্ট ব্যবধান বাড়িয়ে নেয়, আর ৫৭ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানেই থাকল আতলেতিকো। দুই দল আবার মুখোমুখি হবে আগামী বুধবার, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে।
অন্য ম্যাচে বড় ধাক্কা খেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
ম্যাচের শুরুতে রিয়ালের আক্রমণ সামাল দেন মায়োর্কার গোলরক্ষক লিও রোমান। কিলিয়ান এমবাপ্পের দুটি নিশ্চিত সুযোগ দারুণ সেভে ঠেকান তিনি। এরপর প্রথম শটেই ৪২তম মিনিটে গোল পায় স্বাগতিকরা, পাবলো মাফেওর ক্রস থেকে মানু মোরলানেস জালে বল পাঠান।
ইনজুরি থেকে ফিরে ৮৮তম মিনিটে সমতা ফেরান এদার মিলিতাও।
এই মৌসুমে এমবাপ্পের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা মুরিকির এই জয়ে তিন বছর পর রিয়ালের বিপক্ষে জয় পায় মায়োর্কা। একই সঙ্গে অবনমন অঞ্চলের উপরে উঠে আসে তারা।
ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মুরিকি। তিনি বলেন, ‘কখনও কখনও আবেগ সামলানো যায় না, চোখের পানি ধরে রাখা যায় না। বিশ্বকাপে ওঠার লড়াইয়ে হেরে গেছি, এরপর আমরা এগিয়ে থেকেও রিয়াল সমতা ফেরাল। তারপর শেষ মুহূর্তের গোল… সমর্থকদের কিছুটা হলেও ফিরিয়ে দিতে পেরে আমি খুশি। আমরা তাদের জন্যই এই লিগে টিকে থাকতে চাই।’