এ নিয়ে সাংবাদিকদের একের পর এক প্রশ্নের জবাব দিতে হয়েছে বিসিবির প্রতিনিধি হয়ে আসা চার পরিচালককে। বিসিবির দাবি, সব প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও সরকারের সিদ্ধান্তই আটকে দিয়েছে বাংলাদেশকে।
যদিও বিশ্বকাপ ‘মিস’ হওয়ার পর আসিফ বলেছিলেন, ‘বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত অবশ্যই সরকার নিয়েছে।
সরকারের এমন সিদ্ধান্তের সময় বিসিবির পরিচালকরা পুরো বিষয়টি মেনে নিলেন কেন? কোনো যুক্তি-তর্কই কি করা হয়নি? শনিবারের বোর্ড সভা শেষে উপস্থিত পরিচালকরা জানান, সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া ছাড়া তাদের কিছু করার ছিল না।
ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদিন ফাহিম বলেন, ‘বিশ্বকাপ ঘিরে মুস্তাফিজ ইস্যুর পর আমরা অবশ্যই প্রথমে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছি।
মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান মোখসেদুল কামাল বাবুও দাবি করেন, ‘বোর্ড অবশ্যই বিশ্বকাপ খেলার পক্ষে ছিল।’
তর্ক-বিতর্কের এই সংবাদ সম্মেলনে পরিচালকরা জোর গলায় বলেন, ‘পরিচালক হিসেবে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চেয়েছি। আমরা অপেক্ষায় ছিলাম।’
একদম শেষে বিশ্বকাপ খেলার মিশনে বিসিবি কতখানি ইতিবাচক ছিল সেই ব্যাখা দিতে গিয়ে ফাহিম বলেছেন, ‘২৩ তারিখে বিপিএল ফাইনাল হয়েছে। চট্টগ্রামে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটনার কারণে দেরি হয়ে যায়, ফলে সিলেটে বেশি ম্যাচ খেলতে হয়েছে এবং দ্রুত ঢাকায় ফিরতে হয়েছে। আমরা চাইলে আরও দুই দিন সময় নিয়ে চট্টগ্রামে খেলা শেষ করতে পারতাম। কিন্তু তা করিনি, কারণ আমাদের বিশ্বকাপে যেতে হতো। হয়তো আমরা ২৮ তারিখে রওনা দিতাম। আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত ছিলাম।’
‘কিন্তু সরকার নিরাপদ নয় বলার পর আমাদের আর কিছু বলার সুযোগ ছিল না। একপর্যায়ে আমাদের মতামত ততটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। এখনকার সরকার চায় ভারত বা যেকোনো দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে। তাই এটি মূলত সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়। সরকার যা চাইবে, আমরা সেটিই অনুসরণ করব। দেশীয় দৃষ্টিভঙ্গিও এখানে গুরুত্বপূর্ণ।’