বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সেই গান বিতর্কে নতুন মোড়, নোরাকে নারী কমিশনের চিঠি টালিউডে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি প্রত্যাহার, এলো যে সিদ্ধান্ত বেনাপোল স্থলবন্দরে দুর্ঘটনায় এক শ্রমিক নিহত, গুরুতর আহত ১ সিলেটের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর্জা জামাল পাশা আর নেই রিয়ালকে তাদেরই মাঠে হারিয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে বায়ার্ন তামিমের নেতৃত্বাধীন কমিটি ‘অবৈধ’, আইসিসির হস্তক্ষেপ চাইলেন বুলবুল বাংলাদেশের ক্রিকেটের রেপুটেশন ঠিক করতে চান তামিম ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে সমর্থন নেতানিয়াহুর, তবে যুদ্ধবিরতি ‘লেবাননের জন্য নয়’ ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে বাধ্য হয়েছেন: বিশেষজ্ঞ যুদ্ধবিরতির চুক্তিকে ‘বিজয়’ হিসেবে দেখছেন ইরানিরা

বিরোধী দলেও মুক্তিযোদ্ধা আছেন, প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পিকারের সংশোধন

জাতীয় সংসদে সরকারি দলের বেঞ্চের পাশাপাশি বিরোধী দলেও মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের এক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকার এই মন্তব্য করেন

এ সময় সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার সকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের দশম দিনের কার্যক্রম শুরু হয়।

দুপুরে জোহরের নামাজের বিরতির আগে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। 

বক্তব্যের এক পর্যায়ে প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, সরকারি দলের বেঞ্চে বহু মুক্তিযোদ্ধা থাকলেও বিরোধী দলে কোনও মুক্তিযোদ্ধা খুঁজে পাওয়ার সুযোগ নেই।

তিনি সরকারি দলের জয়নাল আবদীন ফারুক, মইনুল হক চৌধুরী, সাখাওয়াত হোসেন বকুল ও অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানসহ বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্যের নাম উল্লেখ করে তাঁদের ‘প্রথিতযশা মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে অভিহিত করেন। 

প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরপরই স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, বিরোধী দলের বেঞ্চেও মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন।

আমি নিজেই রণাঙ্গনে দেখেছি সাতক্ষীরার সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। স্পিকারের এই সংশোধনের পর প্রতিমন্ত্রী পুনরায় বক্তব্য শুরু করেন। 

মীর শাহে আলম তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন, বিএনপি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলন, এই তিনটি ঐতিহাসিক অধ্যায় ধারণ করে। এই তিন আন্দোলনের ‘ট্রফি’ এখন বিএনপির ঘরেই রয়েছে।

জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই আন্দোলনের ক্যাপ্টেন ছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আমরা কারও কাছে ট্রফি আনতে যাইনি। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস লন্ডনে গিয়ে আমাদের ক্যাপ্টেন তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে এসেছেন। এতেই প্রমাণিত হয় এই আন্দোলনের মূল নেতৃত্ব কার হাতে ছিল।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের প্রশংসা করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের মাধ্যমে সংসদে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে এবং বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের মা’ হিসেবে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়েছে। এটি বিএনপির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবস্থানেরই প্রতিফলন।

সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে মীর শাহে আলম জানান, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচি ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে টাঙ্গাইল সদর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে বলেও তিনি জানান।



Our Like Page