এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞ অ্যালান আইয়ার। তিনি
মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের বিশিষ্ট কূটনৈতিক ফেলো এবং ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি আলোচনায় অংশ নেওয়া মার্কিন কর্মকর্তাদের একজন।
তিনি বলেন, ‘যদি বুশেহরে কোনো পারমাণবিক দুর্ঘটনা বা তেজস্ক্রিয় পদার্থ ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে উপসাগরের ওপারের দেশগুলোই প্রথম ক্ষতিগ্রস্ত হবে; বাতাসের তেজস্ক্রিয়তা এবং পানির দূষণের মাধ্যমে, যা তাদের পানি লবণমুক্ত করার সক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করবে।
তিনি বলেন, ‘গবেষণায় দেখা গেছে, পশ্চিম দিকে ছড়িয়ে পড়া তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা হয়তো চেরনোবিলের মতো প্রাণঘাতী হবে না, তবে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো সমুদ্রের পানিতে তেজস্ক্রিয় দূষণ ছড়িয়ে পড়া।’
সতর্ক করে এই মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘একবার যদি পানিতে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে লবণমুক্তকরণ প্রক্রিয়া কার্যত অচল হয়ে যাবে। আর আমরা জানি, উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের পানির জন্য প্রায় পুরোপুরি এই পদ্ধতির ওপর নির্ভরশীল।
সূত্র: আল জাজিরা