বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সংবিধানে ‘সংস্কার’ এর পরিবর্তে সংবিধান ‘সংশোধন’ প্রস্তাব দেওয়ায় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল।
সংবাদ সম্মেলনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ গণভোটে রায় দিয়েছে সংবিধান সংস্কারের পক্ষে, সংশোধনের জন্য নয়।
রাজপথে আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়েই আমরা ওয়াকআউট করেছি। তবে আমরা সংসদ ছেড়ে দিইনি।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, নিয়ম অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বান করার কথা থাকলেও সরকার তা করেনি। বাধ্য হয়ে আমরা বিরোধী দলের পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে নোটিশ দিই।
এ সময় বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিগত সাড়ে ১৫ বছরে জনগণের ওপর যে ফ্যাসিবাদ চাপানো হয়েছিল, বিনা বিচারে ২ হাজার ৬৬৩ জন মানুষকে খুন করা হয়েছে। গুম হওয়া ২৫০ জনের বেশি মানুষের খোঁজ আজও মেলেনি। আয়নাঘরের মতো ডিটেনশন সেন্টার তৈরি করে মানুষকে ৮-৯ বছর বন্দি রাখা হয়েছে। সেই অমানবিক ব্যবস্থা থেকে মুক্তির জন্যই জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থান এবং সংবিধান সংস্কারের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
সংবাদ সম্মেলনে বিরোধী দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।