রোববার গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ফারুক বলেন, ‘নির্বাচনে তো কোনো প্রতিপক্ষই ছিল না।
গত বছরের নির্বাচনে অনিয়ম, কারসাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তদন্তে গত ১১ মার্চ পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। ওই তদন্ত কমিটির সামনে ব্যাখ্যা দিতে হয় ফারুককে।
নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ভোটার ছিল প্রায় ৭৬ জন। এর মধ্যে ৪২টি ভোট কাস্ট হয়েছে, যেখানে আমি সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছি।
এদিকে বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন সম্প্রতি পদত্যাগ করে মন্তব্য করেছিলেন, নির্বাচন আরও স্বচ্ছ হতে পারত।
তিনি আরও বলেন, ‘শাহনিয়ানের মতো তরুণদের কাজ করার আগ্রহ বেশি। তারা বাংলাদেশের ক্রিকেটে ভালো কিছু করতে চায়।
তদন্ত কমিটির সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু না জানিয়ে ফারুক বলেন, ‘আমার কাছে পুরো বিষয়টি বন্ধুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। কমিটিতে একজন বিচারক, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আইনজীবী ও একজন ক্রীড়া সাংবাদিক ছিলেন। তারা ক্রিকেট বোর্ডের বিভিন্ন বিষয় জানতে চেয়েছেন। আমার প্রায় ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে যা জানি, সবই বলেছি।