শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বলিউডের বক্স অফিসে বর্তমানে রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে রণবীর সিং অভিনীত স্পাই অ্যাকশন ড্রামা ‘ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ’। আদিত্য ধর পরিচালিত এই সিনেমাটি একের পর এক পুরোনো রেকর্ড ভেঙে বক্স অফিসে সাফল্যের নতুন মানদণ্ড তৈরি করছে। মুক্তির মাত্র সপ্তম দিনে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ৪০ কোটি রুপি আয়ের মাধ্যমে সিনেমাটির মোট সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৫২৬ কোটি টাকা (নেট)। এর ফলে হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে দ্রুততম সময়ে ৫শ কোটির ক্লাবে প্রবেশের অনন্য নজির গড়ল ‘ধুরন্ধর ২’। যদিও এই অভাবনীয় অর্জনে সিনেমাটির ‘পেইড প্রিভিউ’ বা আগাম প্রদর্শনীর বড় ভূমিকা ছিল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এর আগে হিন্দি সংস্করণে দ্রুততম ৫০০ কোটি ছোঁয়ার রেকর্ডটি ছিল আল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’র দখলে, যা এই মাইলফলক স্পর্শ করতে ১১ দিন সময় নিয়েছিল। এ ছাড়া ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই সিরিজের প্রথম কিস্তি ‘ধুরন্ধর’ ১৭ দিনে এ রেকর্ড গড়েছিল। জাওয়ান, স্ত্রী ২ কিংবা গদর ২- এর মতো ব্লকবাস্টার সিনেমাগুলোকেও এখন আয়ের দৌড়ে পেছনে ফেলে দিয়েছে রণবীরের এই নতুন সিনেমাটি। বর্তমান ধারা বজায় থাকলে আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই এটি জাওয়ান এবং ছাভার জীবনকালীন আয়কে ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মতে, সিনেমাটি এখন খুব দ্রুত ৬শ কোটি ক্লাবের দিকে এগোচ্ছে এবং আগামী রোববারের (২৮ মার্চ) মধ্যে এর মোট সংগ্রহ ৭শ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। অ্যানিম্যাল কিংবা পাঠানের মতো সিনেমাগুলোকে এরই মধ্যে টপকে যাওয়া ‘ধুরন্ধর ২’ এখন বলিউডের ইতিহাসে অন্যতম সফল স্পাই থ্রিলার হিসেবে নিজের অবস্থান শক্ত করে নিয়েছে। বক্স অফিসের এই জয়জয়কার রণবীর সিংয়ের ক্যারিয়ারে এক নতুন উচ্চতা যোগ করল। সূত্র: পিঙ্কভিলা বক্স অফিসে তাণ্ডব চালাচ্ছে ‘ধুরন্ধর ২’ রোজার পর হঠাৎ ভারী খাবার খেলে হতে পারে বিপদ ঈদ স্পেশাল কাচ্চি বিরিয়ানি-খাসির মাংসের রেজালা-মোরগ পোলাও সংখ্যাগরিষ্ঠতার দম্ভে অন্যায় সিদ্ধান্তের পরিণতি শুভ হবে না: গোলাম পরওয়ার ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৫ মরদেহ গাইবান্ধায়, শোকে স্তব্ধ পুরো গ্রাম যমুনা সেতু পশ্চিম মহাসড়কে তীব্র যানজট শনিবার বিকেএসপিতে শুরু হচ্ছে নারী দলের ক্যাম্প মিরপুরের ট্রেনিংয়ে আলাদাভাবে নজর কাড়লেন শান্ত! ঘোড়া কেনার চিন্তায় ক্রিকেটার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী

এলডিসি উত্তরণে সময় চায় বাংলাদেশ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তার মধ্যে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১৪তম মন্ত্রীপর্যায়ের সম্মেলন ক্যামেরুনের ইয়াউন্দেতে শুরু হয়েছে।

সংস্থাটির ১৬৬টি সদস্য দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী ও আলোচকরা এই বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। তবে বিভিন্ন বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্য থাকলেও তাদের প্রত্যাশা তুলনামূলকভাবে কম। গত বৃহস্পতিবার চার দিনব্যাপী এই সম্মেলনে যেসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে সেগুলো- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কার, বিনিয়োগ সহায়তা চুক্তিকে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়মের অন্তর্ভুক্ত করা, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য পাবলিক স্টকহোল্ডিংয়ের স্থায়ী সমাধান, অতিরিক্ত মাছ ধরার জন্য ভর্তুকি সীমিত করার চুক্তি এবং ই-কমার্স মোরাটোরিয়ামের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ।

এ ছাড়া স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে। এই গ্রুপটির মধ্যে বাংলাদেশের মতো দেশ রয়েছে, এলডিসি থেকে উত্তরণের পর নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বিশেষ বাণিজ্য সুবিধা অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছে। 

১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। বাংলাদেশ চলতি বছরের নভেম্বরের মধ্যে এলডিসি তালিকা থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (ইউএনসিডিপি) কাছে তিন বছরের সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। এলডিসি থেকে উত্তরণ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এটি দেশের উন্নয়ন যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই অর্জন অর্থনীতির শক্তি ও অগ্রগতির প্রতিফলন হলেও, উত্তরণের ফলে কিছু চ্যালেঞ্জও তৈরি হবে। 

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের রপ্তানির বড় অংশ এলডিসি নির্দিষ্ট বাণিজ্য সুবিধা ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বিশেষ ও পৃথক সুবিধার ওপর নির্ভরশীল।

এই সুবিধা কমে গেলে রপ্তানি খাত ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি হবে। মসৃণ ও টেকসই উত্তরণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার কাঠামোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা, সময় বাড়ানো এবং সক্ষমতা উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এ ধরনের সহায়তা উত্তরণকারী দেশগুলোকে উন্নয়ন অর্জন ধরে রাখতে, উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় আরও কার্যকরভাবে যুক্ত হতে সহায়তা করবে। 

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়াটি অবশ্যই অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্বচ্ছ এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মূল নীতির ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত।

‘সংস্কারের মাধ্যমে ঐকমত্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া বজায় রাখতে হবে, ছোট ও ঝুঁকিপূর্ণ অর্থনীতির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর নীতি গ্রহণের স্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে,’ বলেন তিনি।

বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার পূর্ণাঙ্গ দ্বিস্তরীয় বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থার পুনরুদ্ধারের ওপরও জোর দিয়েছে। 

নিয়মভিত্তিক বাণিজ্য ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ভর করে একটি স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার ওপর, যা সব সদস্য দেশের অধিকার রক্ষা করে, এমনকি ক্ষুদ্র দেশগুলোরও, বলেন মন্ত্রী।

এদিকে বিভিন্ন নাগরিক সমাজ সংগঠন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্যদের এমন ‘সংস্কার’ এজেন্ডা প্রত্যাখ্যানের আহ্বান জানিয়েছে, যা সংস্থার উন্নয়নমূলক লক্ষ্যকে দুর্বল করতে পারে। আমাদের বিশ্ব বিক্রির জন্য নয় নামের একটি বৈশ্বিক সংগঠন এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে। তারা সতর্ক করে বলেছে, প্রস্তাবিত সংস্কারগুলো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বৈষম্যহীনতার নীতি দুর্বল করতে পারে এবং শক্তিশালী দেশগুলোর প্রভাব বাড়াতে পারে।

তারা আরও বলেছে, এসব সংস্কার এমন একটি শাসনব্যবস্থা তৈরি করতে পারে যেখানে শক্তিশালী অর্থনীতিগুলো অন্য দেশগুলোর ওপর নিজেদের শর্ত চাপিয়ে দিতে পারবে।

উদ্বোধনী অধিবেশনে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মহাপরিচালক নাইজেরিয়ার অর্থনীতিবিদ ড. এনগোজি ওকোনজো-ইওয়েলা বলেন, আমাদের সদস্যদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা সংস্থাটিকে এগিয়ে নিতে চায়, নাকি ভেঙে দিতে চায়। ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ক্যামেরুনের বাণিজ্যমন্ত্রী লুক-ম্যাগলোয়ার এমবার্গা আটাঙ্গানা। চার দিনব্যাপী এই সম্মেলন আগামীকাল শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

সৌজন্য: বাংলাদেশ প্রতিদিন



Our Like Page

বলিউডের বক্স অফিসে বর্তমানে রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে রণবীর সিং অভিনীত স্পাই অ্যাকশন ড্রামা ‘ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ’। আদিত্য ধর পরিচালিত এই সিনেমাটি একের পর এক পুরোনো রেকর্ড ভেঙে বক্স অফিসে সাফল্যের নতুন মানদণ্ড তৈরি করছে। মুক্তির মাত্র সপ্তম দিনে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ৪০ কোটি রুপি আয়ের মাধ্যমে সিনেমাটির মোট সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৫২৬ কোটি টাকা (নেট)। এর ফলে হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে দ্রুততম সময়ে ৫শ কোটির ক্লাবে প্রবেশের অনন্য নজির গড়ল ‘ধুরন্ধর ২’। যদিও এই অভাবনীয় অর্জনে সিনেমাটির ‘পেইড প্রিভিউ’ বা আগাম প্রদর্শনীর বড় ভূমিকা ছিল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এর আগে হিন্দি সংস্করণে দ্রুততম ৫০০ কোটি ছোঁয়ার রেকর্ডটি ছিল আল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’র দখলে, যা এই মাইলফলক স্পর্শ করতে ১১ দিন সময় নিয়েছিল। এ ছাড়া ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই সিরিজের প্রথম কিস্তি ‘ধুরন্ধর’ ১৭ দিনে এ রেকর্ড গড়েছিল। জাওয়ান, স্ত্রী ২ কিংবা গদর ২- এর মতো ব্লকবাস্টার সিনেমাগুলোকেও এখন আয়ের দৌড়ে পেছনে ফেলে দিয়েছে রণবীরের এই নতুন সিনেমাটি। বর্তমান ধারা বজায় থাকলে আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই এটি জাওয়ান এবং ছাভার জীবনকালীন আয়কে ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মতে, সিনেমাটি এখন খুব দ্রুত ৬শ কোটি ক্লাবের দিকে এগোচ্ছে এবং আগামী রোববারের (২৮ মার্চ) মধ্যে এর মোট সংগ্রহ ৭শ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। অ্যানিম্যাল কিংবা পাঠানের মতো সিনেমাগুলোকে এরই মধ্যে টপকে যাওয়া ‘ধুরন্ধর ২’ এখন বলিউডের ইতিহাসে অন্যতম সফল স্পাই থ্রিলার হিসেবে নিজের অবস্থান শক্ত করে নিয়েছে। বক্স অফিসের এই জয়জয়কার রণবীর সিংয়ের ক্যারিয়ারে এক নতুন উচ্চতা যোগ করল। সূত্র: পিঙ্কভিলা