শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বলিউডের বক্স অফিসে বর্তমানে রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে রণবীর সিং অভিনীত স্পাই অ্যাকশন ড্রামা ‘ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ’। আদিত্য ধর পরিচালিত এই সিনেমাটি একের পর এক পুরোনো রেকর্ড ভেঙে বক্স অফিসে সাফল্যের নতুন মানদণ্ড তৈরি করছে। মুক্তির মাত্র সপ্তম দিনে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ৪০ কোটি রুপি আয়ের মাধ্যমে সিনেমাটির মোট সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৫২৬ কোটি টাকা (নেট)। এর ফলে হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে দ্রুততম সময়ে ৫শ কোটির ক্লাবে প্রবেশের অনন্য নজির গড়ল ‘ধুরন্ধর ২’। যদিও এই অভাবনীয় অর্জনে সিনেমাটির ‘পেইড প্রিভিউ’ বা আগাম প্রদর্শনীর বড় ভূমিকা ছিল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এর আগে হিন্দি সংস্করণে দ্রুততম ৫০০ কোটি ছোঁয়ার রেকর্ডটি ছিল আল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’র দখলে, যা এই মাইলফলক স্পর্শ করতে ১১ দিন সময় নিয়েছিল। এ ছাড়া ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই সিরিজের প্রথম কিস্তি ‘ধুরন্ধর’ ১৭ দিনে এ রেকর্ড গড়েছিল। জাওয়ান, স্ত্রী ২ কিংবা গদর ২- এর মতো ব্লকবাস্টার সিনেমাগুলোকেও এখন আয়ের দৌড়ে পেছনে ফেলে দিয়েছে রণবীরের এই নতুন সিনেমাটি। বর্তমান ধারা বজায় থাকলে আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই এটি জাওয়ান এবং ছাভার জীবনকালীন আয়কে ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মতে, সিনেমাটি এখন খুব দ্রুত ৬শ কোটি ক্লাবের দিকে এগোচ্ছে এবং আগামী রোববারের (২৮ মার্চ) মধ্যে এর মোট সংগ্রহ ৭শ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। অ্যানিম্যাল কিংবা পাঠানের মতো সিনেমাগুলোকে এরই মধ্যে টপকে যাওয়া ‘ধুরন্ধর ২’ এখন বলিউডের ইতিহাসে অন্যতম সফল স্পাই থ্রিলার হিসেবে নিজের অবস্থান শক্ত করে নিয়েছে। বক্স অফিসের এই জয়জয়কার রণবীর সিংয়ের ক্যারিয়ারে এক নতুন উচ্চতা যোগ করল। সূত্র: পিঙ্কভিলা বক্স অফিসে তাণ্ডব চালাচ্ছে ‘ধুরন্ধর ২’ রোজার পর হঠাৎ ভারী খাবার খেলে হতে পারে বিপদ ঈদ স্পেশাল কাচ্চি বিরিয়ানি-খাসির মাংসের রেজালা-মোরগ পোলাও সংখ্যাগরিষ্ঠতার দম্ভে অন্যায় সিদ্ধান্তের পরিণতি শুভ হবে না: গোলাম পরওয়ার ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৫ মরদেহ গাইবান্ধায়, শোকে স্তব্ধ পুরো গ্রাম যমুনা সেতু পশ্চিম মহাসড়কে তীব্র যানজট শনিবার বিকেএসপিতে শুরু হচ্ছে নারী দলের ক্যাম্প মিরপুরের ট্রেনিংয়ে আলাদাভাবে নজর কাড়লেন শান্ত! ঘোড়া কেনার চিন্তায় ক্রিকেটার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কারে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রী

বর্তমান বাস্তবতায় বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবে এই সংস্কার যেন সংস্থাটির মৌলিক নীতিমালাকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ক্যামেরুনের ইয়াউন্দেতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন (এমসি১৪) এ বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ করণীয় শীর্ষক সেশনে তিনি একথা বলেন।

 

এতে জানানো হয়, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কার: মৌলিক বিষয়সমূহ শীর্ষক এ অধিবেশনে খন্দকার মুক্তাদির বলেন, ডব্লিউটিও-এর মূল ভিত্তি হলো সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যনির্ভর উন্নয়নকে উৎসাহিত করা। বৈষম্যহীনতা ও অন্তর্ভুক্তির নীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা ঐকমত্যভিত্তিক ও নিয়মভিত্তিক এই বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থা উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশসমূহের পাশাপাশি স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসিএস) জন্যও গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা নিশ্চিত করেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সর্বাধিক সুবিধাপ্রাপ্ত দেশ (এমএফএন) সুবিধা, শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাজার প্রবেশাধিকার (ডিএফকিউএফ), এবং বিশেষ ও পার্থক্যমূলক সুবিধা (এসএন্ডডিটি)-এর মতো ব্যবস্থাগুলো বিশ্ব বাণিজ্যে সমতা ও অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকট এবং কোভিড-১৯ মহামারির সময় ছাড়া গত তিন দশকে উন্নত দেশগুলোর মধ্যম আয় ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিদ্যমান বাণিজ্য ব্যবস্থার কার্যকারিতা প্রমাণ করে।

 

ডব্লিউটিও সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এই সংস্কার যেন সংস্থাটির মৌলিক নীতিমালাকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে। তিনি সতর্ক করে বলেন, দীর্ঘ সময় ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে গড়ে ওঠা বর্তমান কাঠামো সংস্কারের নামে নষ্ট করা উচিত নয়, কারণ বিশ্বের অধিকাংশ অর্থনীতি এই নিয়মভিত্তিক বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল।

তিনি বলেন, ডব্লিটিও সংস্কার প্রক্রিয়া অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করতে হবে, যাতে ব্যবস্থার অখণ্ডতা বজায় থাকে, পূর্বের অর্জনগুলো অক্ষুণ্ণ থাকে এবং সকল সদস্য দেশের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উন্নয়নমুখী ফলাফল নিশ্চিত করা যায়।

উল্লেখ্য, মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্সে সদস্য দেশসমূহ বৈশ্বিক বাণিজ্য নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে।

এবারের সম্মেলনে ১৬৬টি সদস্য দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী ও প্রতিনিধিগণ অংশ নিয়েছেন। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে। প্রতিনিধিদলে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জেনেভাস্থ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অংশ নিচ্ছেন। 



Our Like Page

বলিউডের বক্স অফিসে বর্তমানে রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে রণবীর সিং অভিনীত স্পাই অ্যাকশন ড্রামা ‘ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ’। আদিত্য ধর পরিচালিত এই সিনেমাটি একের পর এক পুরোনো রেকর্ড ভেঙে বক্স অফিসে সাফল্যের নতুন মানদণ্ড তৈরি করছে। মুক্তির মাত্র সপ্তম দিনে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ৪০ কোটি রুপি আয়ের মাধ্যমে সিনেমাটির মোট সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৫২৬ কোটি টাকা (নেট)। এর ফলে হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে দ্রুততম সময়ে ৫শ কোটির ক্লাবে প্রবেশের অনন্য নজির গড়ল ‘ধুরন্ধর ২’। যদিও এই অভাবনীয় অর্জনে সিনেমাটির ‘পেইড প্রিভিউ’ বা আগাম প্রদর্শনীর বড় ভূমিকা ছিল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এর আগে হিন্দি সংস্করণে দ্রুততম ৫০০ কোটি ছোঁয়ার রেকর্ডটি ছিল আল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’র দখলে, যা এই মাইলফলক স্পর্শ করতে ১১ দিন সময় নিয়েছিল। এ ছাড়া ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই সিরিজের প্রথম কিস্তি ‘ধুরন্ধর’ ১৭ দিনে এ রেকর্ড গড়েছিল। জাওয়ান, স্ত্রী ২ কিংবা গদর ২- এর মতো ব্লকবাস্টার সিনেমাগুলোকেও এখন আয়ের দৌড়ে পেছনে ফেলে দিয়েছে রণবীরের এই নতুন সিনেমাটি। বর্তমান ধারা বজায় থাকলে আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই এটি জাওয়ান এবং ছাভার জীবনকালীন আয়কে ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মতে, সিনেমাটি এখন খুব দ্রুত ৬শ কোটি ক্লাবের দিকে এগোচ্ছে এবং আগামী রোববারের (২৮ মার্চ) মধ্যে এর মোট সংগ্রহ ৭শ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। অ্যানিম্যাল কিংবা পাঠানের মতো সিনেমাগুলোকে এরই মধ্যে টপকে যাওয়া ‘ধুরন্ধর ২’ এখন বলিউডের ইতিহাসে অন্যতম সফল স্পাই থ্রিলার হিসেবে নিজের অবস্থান শক্ত করে নিয়েছে। বক্স অফিসের এই জয়জয়কার রণবীর সিংয়ের ক্যারিয়ারে এক নতুন উচ্চতা যোগ করল। সূত্র: পিঙ্কভিলা