সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন

সোহেল হত্যায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীকে জড়িয়ে এনসিপি নেতার বক্তব্য: বিএনপির প্রতিবাদ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের সড়াতৈল গ্রামের সোহেল রানা (২৪) হত্যাকাণ্ডে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতকে জড়িয়ে এনসিপি নেতা এস এম সাইফ মুস্তাফিজের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে স্থানীয় বিএনপি।

শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে শাহজাদপুর পৌর এলাকার মনিরামপুর বাজারের চৌরাস্তা থেকে উপজেলা পরিষদের প্রধান সড়কে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে প্রতিবাদ জানান দলটির নেতাকর্মীরা।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান আরিফ, সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল জব্বার মিয়া, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আমির হোসেন সবুজ, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আল আমিন হোসেন, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি এমদাদুল হক নওশাদ, সহসভাপতি রেজাউল করীম রাজা, যুবদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিন্টু, সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ও নিহত সোহেলের মা রুবি খাতুন এবং মামা আব্দুল আলিম বাঘা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সোহেল হত্যা কোনো রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড নয়।

কিন্তু জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব এস এম সাইফ মোস্তাফিজ ওই হত্যাকাণ্ডকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ড. এম এ মুহিতকে জড়িয়ে মিথ্যা ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে আসছেন, যা রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত। এনসিপি নেতা যে ভাষায় কথা বলছেন তাতে প্রতীয়মান হয় যে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। 

ভবিষ্যতে সাইফ মোস্তাফিজ যদি মিথ্যা ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত না থাকেন তাহলে পরবর্তীতে তাকে শাহজাদপুরে অবাঞ্ছিত ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

প্রসঙ্গত, গত ২০ মার্চ রাতে ঈদের বোনাস দেওয়ার কথা বলে সোহেলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

পরদিন কায়েমপুর ইউনিয়নের চিনাধুকুরিয়া গ্রামের ধানখেত থেকে পুলিশ সোহেল রানার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে সোহেলের মা রুবি খাতুন বাদী হয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের নাম উল্লেখসহ ৪/৫ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা করেন। 

এদিকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কায়েমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। তবে হত্যাকাণ্ডের সপ্তাহ পার হলেও আসামিদের কেউ এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।



Our Like Page